ঢাকাবুধবার , ১৬ জুন ২০২১
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

করোনায় কষ্টে আছেন কেন্দুয়ার যাত্রাশিল্পের সাজঘরে শিল্পীবৃন্দ

চমক নিউজ, ময়মানসিংহ
জুন ১৬, ২০২১ ১০:৩৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

করোনায় কষ্টে আছেন কেন্দুয়ার যাত্রাশিল্পের সাজঘরে শিল্পীবৃন্দ

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি :

দেড় বছর ধরে করোনার কারণে গান বাজনা বন্ধ থাকায় নেত্রকোনার কেন্দুয়ার সাজঘরের যাত্রাশিল্পীরা খুবই অর্থ কষ্টে আছেন।

শিল্পী ও বাদ্যযন্ত্র সরবরাহের সাজঘরগুলো বন্ধ থাকায় বাদ্যযন্ত্র যেমন নষ্ট হচ্ছে তেমনি অন্যান্য উপকরণও ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

অথচ কেন্দুয়াতেই এক সময়- ভাই ভাই সাজঘর, রওশনা সাজঘর, ঝুমা সাজঘর, সাজু সাজঘর, জবা সাজঘর, আসমা সাজঘর, কবিতা সাজঘর, রহিম সাজঘর, সেলিম সাজঘর, জসিম সাজঘর, করিম সাজঘর নামে ১২/১৪টি সাজঘর ছিল। বর্তমানে রহিম সাজঘর এবং সেলিম সাজঘর নামে মাত্র ২টি সাজঘর কোনরকমে টিকে আছে।

মঙ্গলবার (১৫ জুন) বিকালে কেন্দুয়া কলেজ রোডের রহিম সাজঘরে গেলে কথা হয় সাজঘরের মালিক আব্দুর রহিম, যাত্রাশিল্পী ও কেন্দুয়া পৌরসভার সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর বিলকিছ আক্তার জবা, প্রবীণ যাত্রাশিল্পী শেফালী বিশ্বাস, নূরুন্নাহার, ময়না আক্তারের সঙ্গে।

তারা জানানা, করোনার কারণে গান বাজনা বন্ধ থাকায় দেড় বছর ধরে অর্থ কষ্টে দিন কাটছে তাদের। সাজঘর মালিক আব্দুর রহিম বলেন, গান বাজনা বন্ধ থাকায় দেড় লাখ টাকার বাদ্যযন্ত্র ঘরে পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে। আবার কবে বাদ্যযন্ত্র মঞ্চে পাঠাতে পারবো জানিনা। একই বক্তব্য সাজঘর মালিক সেলিম রানারও।

কেন্দুয়া পৌরসভার মহিলা কাউন্সিলর ও যাত্রাশিল্পী বিলকিছ আক্তার জবা জানান, কেন্দুয়ার সাজঘরগুলোর মাধ্যমে অন্তত ৫০ জন শিল্পী-কলাকূশলী গান বাজনা করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

করোনার কারণে সবাই বেকার হয়ে এখন মানবেতর জীবন যাপন করছেন। প্রণোদনার সামান্য সহায়তা গত বছর পেলেও এবার এখনও কেউ পাননি। যাত্রার প্রবীণ অভিনয় শিল্পী শেফালী বিশ্বাস এবং নূরুন্নাহার, ময়না আক্তার জানান, গান বাজনা বন্ধ থাকায় অনেক শিল্পী ঘরভাড়া দিতে পারছেন না।

এমনকি অনেকে অসুখের ঔষধ পর্যন্ত কিনে খেতে পারছেন না। উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী কেন্দুয়া শাখার সভাপতি পালা-নাট্যকার ও যাত্রাশিল্পী রাখাল বিশ্বাস জানান, করোনার কারণে সংস্কৃতি পরিবেশনা বন্ধ থাকায় শিল্পীরা খুবই কষ্টে আছেন। সরকার প্রণোদনার মাধ্যমে অসহায় শিল্পীদের জন্য গত বছর সহায়তা দিয়েছিলেন।

এ বছর এখনও আমাদের কেন্দুয়ার যাত্রাশিল্পীরা বিশেষ করে সাজঘরের অসহায় শিল্পীরা এখনও কোন সহায়তা পাননি। তাই মাননীয় সরকারের কাছে আহ্বান- অসহায় শিল্পীদের আর্থিক সহায়তার বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য।

স/বি