কেন্দুয়ায় গাভীর জমজ বাছুরের কৃষকের মুখে হাসি
কেন্দুয়া প্রতিনিধি-
১০ বছর আগে ৪২ হাজার টাকায় একটি বিদেশি গাভী কিনে ছিলেন কেন্দুয়া কৃষক আবু ছাদেক ব্যাপারী। পরে শুরু করেন গাভী পালন।
এ থেকে ভাগ্য খুলতে শুরু করে সাদেক-ফরিদা দম্পত্তির। মাত্র ১০ বছরে আয় করেন ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা। বন্ধক রাখেন ১৮০ শতাংশ ফসলি জমি। স্বামী-স্ত্রী দুজনের এখন প্রতিদিনের নেশা গরুপালন।
বর্তমানে ৪টি গুরু রয়েছে এই ক্ষুদ্র খামারির। এর মধ্যে ১৭দিন বয়সী দুটি জমজ বাছুরও রয়েছে। রোববার (৬ জুন) সরেজমিনে গেলে কথা হয় নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের সয়লাপাড়া গ্রামের কৃষক আবু ছাদেক ব্যাপারী ও তার স্ত্রী ফরিদা পারভীন এর সঙ্গে।
তারা জানান, গাভীর জমজ দুই বছুরের জন্মের খুশির সংবাদ। আবু ছাদেক বলেন, তার অষ্ট্রলিয়ান একটি গাভীর ১ বছর বয়সী অপর একটি বকনা বাছুর রয়েছে। এরই মধ্যে গত ২১ মে দুপুরে গাভীটি জমজ ২ বছুরের জন্ম দেয়। এর একটি বকনা ও অপরটি ষাঁড় বাছুর।
গত সাড়ে ৯ মাস পূর্বে কেন্দুয়া উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তর হতে ‘রাণীভিট’ বীজ দেওয়া হয়েছিল। গাভীটি বর্তামানে প্রতিদিন ১২ লিটার দুধ দেয়। আবু ছাদেকের স্ত্রী ফরিদা পারভীন জানান, আমাদের গাভীর বকনা ও ষাঁড় বাছুর ২টি এক ঘন্টা ব্যবধানে জন্ম নেই। বহু মানুষ দেখতে এসেছে। গাভী ও বাছুর দুটি সুস্থ্য আছে। আমরা খুবই খুশি হয়েছি দুই বছরের ফসল এক বছরে পাওয়াতে।
এ ব্যাপারে কেন্দুয়া উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার খুর্শিদ দেলোয়ার বলেন, প্রাকৃতিক নিয়মে একের অধিক বাছুর হতে পারে। বাছুর গুলোর প্রতি তিনি যথাযথ যত্ম নেওয়ার পরামর্শ দেন।
স/বি

