ঢাকারবিবার , ২৫ ডিসেম্বর ২০২২
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

৩০ বছর যাবৎ দক্ষিণখানের মিজানের গ্যারেজ এলাকায় চলছে লাইলির দেহ ব্যবসা

admin
ডিসেম্বর ২৫, ২০২২ ১:৩০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

৩০ বছর যাবৎ দক্ষিণখানের মিজানের গ্যারেজ এলাকায় চলছে লাইলির দেহ ব্যবসা

মোঃ রফিকুল ইসলাম মিঠু।। দক্ষিণখানের মিজানের গ্যারেজ এলাকায় ত্রিশ বছর যাবৎ দেহ ব্যবসা চালিয়ে যাবার অভিযোগ উঠেছে লাইলী বেগম নামে ৬৫ বছরের এক নারীর বিরুদ্ধে।

অভিযোগ আছে এই ব্যবসায় লাইলীকে সহযোগিতা করে আসছেন তার বোন শিল্পী আক্তার (৩০)। দক্ষিণখান থানা এলাকার মাত্র আধা কিলোমিটারের মধ্যে কিভাবে চক্রটি এই ব্যবসা চালিয়ে আসছেন এই প্রশ্নই স্থানীয় জনগনের মাঝে।

এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের ভাষ্যমতে মতে স্থানীয় হাওয়ায় নিজের ইচ্ছামত লাইলী নিজের ১৬ বছর বয়স থেকেই চালিয়ে আসছেন দেহ ব্যবসা। ৬৫ বছর বয়সী এই মহিলার বর্তমানে খদ্দেরের চাহিদা কম থাকায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে উঠতি বয়সী মেয়েদেরকে নিয়ে এসে দেহ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন মর্মে অভিযোগ রয়েছে।

দক্ষিণখানের মিজানের গ্যারেজ এলাকায় লাইলির বাড়ি বললেই যে কোন লোক দেখিয়ে দেন। জানা যায়, দেহ ব্যবসার সঙ্গেই সন্ধ্যা নামলেই তার বোন শিল্পী মাদকের কারবার শুরু করে দেন। মিজানের গ্যারেজ এলাকার ২৯০/২৯১ দাগ নাম্বারের ৩৩৭ নম্বর বাসা এলাকার গলির ভিতরে কে আসা-যাওয়া করছে তার দেখভাল করার জন্য ও রয়েছে নিজস্ব বাহিনী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকা বাসিরা বলেন দিনে-রাতের বিভিন্ন সময় স্কুল-কলেজ পড়ুয়া থেকে শুরু করে বৃদ্ধ আবাল দূর-দূরান্ত থেকে লাইলির বাড়ির আশেপাশে আনাগোনা করতে দেখা যায়।

আশেপাশে বাড়ীওয়ালা এবং কমিউনিটি পুলিশের অনেক সদস্যই লাইলীর এই অপকর্মের খোঁজ জানেন বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।

এলাকাবাসী একাধিকবার থানায় অভিযোগ কারায় তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হলেও আইনের ফাঁক দিয়ে তারা বেরিয়ে এসে একই ব্যবসায় লিপ্ত হন।

রুবিনা নামের জনৈক মহিলা জানান, থানা পুলিশের কর্মকর্তা ও কর্মচারী অনেককে সাদা পোশাকে তার বাড়িতে আসতে দেখা যায়। কি কারণে তারা আসেন এ ব্যাপারে আমরা সঠিক কিছু বলতে পারিনা।

ঘটনাস্থলটি ঢাকা মহানগর উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৪৭নং ওয়ার্ডের আওতাধীন হওয়ায় কাউন্সিলর মোতালেব মিয়ার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বললে তিনি জানান, একাধিকবার পুলিশ দিয়ে অভিযান চালিয়েও তাদেরকে এই ব্যবসা থেকে বিরত করা যাচ্ছে না।

এলাকাবাসী বলেন, উত্তরায় অনেক সাংবাদিকদের বসবাস। এরপরেও কখনো কোন সময় এদের বিরুদ্ধে কোন প্রতিবেদন কোথাও প্রকাশ করে আলড়ন সৃষ্টি করতে পারেন নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জৈষ্ঠ সাংবাদিক বলেন, এদের বিরুদ্ধে একাধিকবার থানা পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করা হলেও অদৃশ্য কারণে তাদেরকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে না।

মিজানের গ্যারেজ এলাকার শিক্ষিত সচেতন নাগরিকদের দাবি, দক্ষিনখান থানার জোড়ালো পদক্ষেপে লাইলীর এই অপকর্ম দমন করলে সমাজ যেমন উপকৃত হবে তেমনি আইনের প্রতি সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা বহু গুণে বেড়ে যাবে।

ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য লাইলি বেগমের বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে এবিষয়ে কথা বলতে চাইলে উক্ত প্রতিবেদককে সঙ্গে তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।

 

স/এষ্