হিমেল হাওয়া ও ঠান্ডায় জনজীবন অতিষ্ট
লাভলু শেখ লালমনিরহাট থেকে।। সীমান্ত ঘেঁষা লালমনিরহাটে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার রাত পর্যন্ত কূয়াশার চাঁদরে ঢাকা ছিল লালমনিরহাট জেলা সারাদিন সূর্যের দেখা মিলেনি। তবে শনিবার সূর্যের দেখা মিললেও বিকেল হতে না হতেই আবার হিমেল হাওয়ায় ঠান্ডায় জনজীবন অতিষ্ট। গরমের কাপড়ের কদরও বাড়ছে।
জানাগেছে, জেলার ৫টি উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভার ৪শ ৭৬টি গ্রাম ও ৩শ ৫৪টি মৌজায় হিমেল হাওয়ায় ঠান্ডা ও শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে ছিন্নমুল ও খেটে খাওয়া মানুষ। বিশেষ করে তিস্তা ও ধরলার তীঁরবতীঁ মানুষেরা চরমদূভোগে পড়েছে। ঠান্ডা ও ঘনকূয়াশার কারনে এখানকার মানুষজন খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।
ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু, কিশোর ও বৃদ্ধরা। তীব্র শীতে দুর্ভোগ বেড়েছে গবাদিপশুরও। দিন মজুরেরা কাজের জন্য বেড় হতে পাড়ছে না। প্রতিবছর এ জেলায় আগাম শীত নেমে আসে। এবারে ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকেই শৈত্যপ্রাবাহ শুরু হওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নারী, পুরুষ ও শিশু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে এক ঝলক সূয্যের মুখ দেখা মিলছিল। তবে হিমেল হাওয়া ছিল অব্যাহত।
খড়কুটোতে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারন করার দৃশ্য দেখা যায়। অপরদিকে শীত বাড়ার সাথে সাথেই গরম কাপড়ের কদর বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন আয়ের মানুষের শীত বস্ত্র ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে রয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি ভাবে ইতোমধ্যেই জেলার হতদরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষের মাঝে কয়েক হাজার কম্বোল বিতরণ করা হয়েছে।
স/এষ্

