ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১২ জানুয়ারি ২০২৩
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

মুসল্লিদের পদভারে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা আজ বাদ ফজর আম বয়ানের মধ্যদিয়ে শুরু

admin
জানুয়ারি ১২, ২০২৩ ৭:৪১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মুসল্লিদের পদভারে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা আজ বাদ ফজর আম বয়ানের মধ্যদিয়ে শুরু

শাহজাহান শোভন, টঙ্গী থেকে:মুসলিম জাহানের দ্বিতীয় ধর্মীয় সমাবেশ তাবলীগ জামাতের বিশ^ ইজতেমা আজ শুক্রবার বাদ ফজর আম বয়ানের মধ্যদিয়ে শুরু হয়েছে। গতকাল থেকে দলে দলে ইজতেমা মাঠে আসছেন মুসল্লিরা। মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে গত দুই বছর বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়নি।

এবার ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা। ইজতেমাকে ঘিরে টঙ্গী ও আশপাশের এলাকায় ধর্মীয় উৎসব আমেজ বিরাজ করছে। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশ থেকে মুসল্লিরা আসছেন বিশ্ব ইজতেমা মাঠে। বিদেশিরাও এসেছেন। শীত উপেক্ষা করে চটের ছাউনির নিচে অবস্থান নিয়েছেন তারা।

এবার ইজতেমার মাঠকে ৯১টি খিত্তায় ভাগ করা হয়েছে। বিভিন্ন জেলার মুসল্লিরা তাদের নিজ নিজ জেলার খিত্তায় অবস্থান নিচ্ছেন। ১৬০ একর খোলা ময়দানে বাঁশের খুঁটির ওপর পাটের চট দিয়ে টানানো হয়েছে বিশাল প্যান্ডেল। তবে বিদেশি মেহমানদের জন্য টিন দিয়ে করা হয়েছে আবাসস্থল। ইতিমধ্যে ইজতেমা ময়দানে ২৫টি দেশের প্রায় দেড় হাজার বিদেশি মেহমান উপস্থিত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ব ইজতেমা দুই মুসল্লির মৃত্যু: বিশ্ব ইজতেমার দুই মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বাদ জোহর ইজতেমা ময়দানে তাদের জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিহতরা হলেন- গাজীপুর শহরের ভুরুলিয়া এলাকার বাসিন্দা আবু তৈয়ব ওরফে আবু তালেব (৯০) এবং সিলেটের জৈন্তাপুর থানার হরিপুরের হেমুবটে পাড়া এলাকার মো ফজলুল হকের ছেলে মোঃ নুরুল হক (৬৩)।

বিশ্ব ইজতেমার আয়োজক কমিটির সদস্য প্রকৌশলী আব্দুন নূর জানান, বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগে তাবলীগ জামাতের গাজীপুর মারকাজের সুরা সদস্য তৈয়ব সকাল ১০টার দিকে মারা গেছেন। আর নুরুল হক ভুগছিলেন এ্যাজমা রোগে। সকালে ইজতেমা ময়দানের ৬২নম্বর খিত্তায় অবস্থানকালে নুরুল হকের শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় এবং কিছু সময়ের মধ্যেই তিনি মারা যান। দুপুরে ইজতেমা ময়দানে জানাযা নামাজ শেষে লাশ দুটি তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরুর আগের দিন পুরো ময়দান মুসল্লিতে পূর্ণ হয়ে গেছে। মাঠের মূল অংশে মুসল্লিরা ঠাঁই না পেয়ে কামারপাড়া ও আশেপাশের এলাকায় ফুটপাতে অবস্থান নিয়েছে।

ময়দানে প্রথম পর্বে খিত্তাভিত্তিক মুসল্লিদের অবস্থান: বিশ্ব ইজতেমা আয়োজক কমিটির শীর্ষ মুরব্বি ডা. খান মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন জানান, প্রথম পর্বের ইজতেমায় মুসল্লিরা যে সমস্ত খিত্তায় অবস্থান করবেন তা হলো গাজীপুর (খিত্তা-১), টঙ্গী (খিত্তা-২, ৩ ও ৪), ঢাকা (খিত্তা-৫ থেকে ১৮ ও ২১, ২২, ২৫, ২৭, ২৮, ৩০), রাজশাহী (খিত্তা-১৯), চাঁপাইনবাবগঞ্জ (খিত্তা-২০), নাটোর (খিত্তা-২৩), নওগাঁ (খিত্তা-২৪), নড়াইল (খিত্তা-২৬), সিরাজগঞ্জ (খিত্তা-২৯), টাঙ্গাইল (খিত্তা-৩১), রংপুর (খিত্তা-৩২), গাইবান্ধা (খিত্তা-৩৩), লালমনিরহাট (খিত্তা-৩৪), মুন্সীগঞ্জ (খিত্তা-৩৫), যশোর (খিত্তা-৩৬), নীলফামারী (খিত্তা-৩৭), বগুড়া (খিত্তা-৩৮), জয়পুরহাট (খিত্তা-৩৯), নারায়ণগঞ্জ (খিত্তা-৪০), ফরিদপুর (খিত্তা-৪১), ভোলা (খিত্তা-৪২), নরসিংদী (খিত্তা-৪৩), সাতক্ষীরা (খিত্তা-৪৪), বাগেরহাট (খিত্তা-৪৫), কুষ্টিয়া (খিত্তা-৪৬), মেহেরপুর (খিত্তা-৪৭), চুয়াডাঙ্গা (খিত্তা-৪৮), ময়মনসিংহ (খিত্তা-৪৯, ৫১), শেরপুর (খিত্তা-৫০), জামালপুর (খিত্তা-৫২), গোপালগঞ্জ (খিত্তা-৫৩), কিশোরগঞ্জ (খিত্তা-৫৪), নেত্রকোনা (খিত্তা-৫৫), ঝালকাঠি (খিত্তা-৫৬), বান্দরবান (খিত্তা-৫৭), বরিশাল (খিত্তা-৫৮), পিরোজপুর (খিত্তা-৫৯), হবিগঞ্জ (খিত্তা-৬০), কক্সবাজার (খিত্তা-৬১), সিলেট (খিত্তা-৬২), সুনামগঞ্জ (খিত্তা-৬৩), ফেনী (খিত্তা-৬৪), নোয়াখালী (খিত্তা-৬৫), লক্ষ্মীপুর (খিত্তা-৬৬), চাঁদপুর (খিত্তা-৬৭), ব্রাহ্মণবাড়িয়া (খিত্তা-৬৮), খুলনা (খিত্তা-৬৯), পটুয়াখালী (খিত্তা-৭০), বরগুনা (খিত্তা-৭১), চট্টগ্রাম (খিত্তা-৭৪), কুমিল্লা (খিত্তা-৭৫), তুরাগ নদের পশ্চিমপাড় কাঁচাবাজারে মৌলভীবাজার (খিত্তা-৭৬), রাজবাড়ী (খিত্তা-৭৭), মাদারীপুর (খিত্তা-৭৮), শরীয়তপুর (খিত্তা-৭৯), মানিকগঞ্জ (খিত্তা-৮০, সাফা টাওয়ার), রাঙ্গামাটি (খিত্তা-৮১), খাগড়াছড়ি (খিত্তা-৮২), দিনাজপুর (খিত্তা-৮৩), পাবনা (খিত্তা-৮৪), ঠাকুরগাঁও (খিত্তা-৮৫), ঝিনাইদহ (খিত্তা-৮৭, যমুনা প্লট), মাগুরা (খিত্তা-৮৮, যমুনা প্লট), কুড়িগ্রাম (খিত্তা-৮৯, কামারপাড়া বেড়িবাঁধ বঙ্গবন্ধু মাঠ), পঞ্চগড়ের (খিত্তা-৯০) কামারপাড়া হাইস্কুল মাঠ-বধির স্কুল ভবন) জন্য নির্ধারিত স্থানে অবস্থান নিয়ে ইবাদত বন্দেগিতে মশগুল থাকবেন।

আগত মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ময়দানের চারপাশে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন টঙ্গী পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহ আলম।
এদিকে বিশ্ব ইজতেমাকে সামনে রেখে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে কর্মরত সকল চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের সকল ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। ময়দানে পানি সংকট নিরসনে নতুন গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও ইজতেমা উপলক্ষে বিশেষ ট্রেন, বাস, ফায়ার সার্ভিস, ট্রাফিক পুলিশ, বিদ্যুৎ, তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ ব্যাপক প্রস্তুতি হাতে নিয়েছে।

সি.সি ক্যামেরা স্থাপন : গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে পুরো ময়দানে প্রায় ৩০০ ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসানো হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তায় সাড়ে সাত হাজার পুলিশ মোতায়ন থাকবে। র‌্যাব ও আনসারসহ বিভিন্ন সংস্থা কাজ করবে।

গ্যাস সংযোগঃ ইজতেমা ময়দানের উত্তর-পশ্চিম কোণে বিদেশি মেহমানদের জন্য নির্ধারিত কামরার পাশে ১৪০ থেকে ১৫০ পিএসআই উচ্চচাপ সম্পন্ন গ্যাসের লাইন সংযোগ দেয়া হয়েছে। সেখানো শুধু বিদেশি মেহমানদের রান্না বান্নার কাজ হয়ে থাকে।
সড়ক বাতি ও এলইডি লাইট স্থাপনঃ ময়দানে আগত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের শুভেচ্ছা জানিয়ে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে তোরণ নির্মাণের পাশাপাশি টঙ্গী-কামারপাড়া রোডে রঙ বেরঙের সড়ক বাতি লাগানো হয়েছে। এছাড়াও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চলমান বিআরটি প্রকল্পের কাজের কারণে মুসল্লিদের চলাচলে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে সেজন্য মহাসড়কের বিভিন্নস্থানে চারশ’ এলইডি লাইট স্থাপন করা হচ্ছে।

ইজতেমায় ফায়ার সার্ভিসের প্রস্তুতি ঃইজতেমা শুরু হওয়া উপলক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে ফায়ার সার্ভিস। অগ্নি দুর্ঘটনা মোকাবেলায় ময়দানে প্রতিটি খিত্তায় ফায়ার এক্সটিংগুইসার, ফায়ার হুক, ফায়ার বিটারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ময়দানে চারপাশে ১৪টি পোর্টেবল পাম্প প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মাঠের বিভিন্ন স্থানে ফায়ার সার্ভিসের তিনশতরও অধিক কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন। ময়দানে ফায়ার কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে।

আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি ঃইজতেমায় মুসল্লিদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন সাড়ে সাত হাজার পুলিশ। নির্ধারিত পোশাকের বাহিরে সাদা পোশাকে মোতায়ন করা হবে পুলিশ। এছাড়াও বোমা উদ্ধার ও নিস্ক্রিয় দল, ডক স্কোয়াদ, নৌটহল দল এবং বিষ্ফোরক দ্রব্য বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রাপ্তরা দায়িত্ব পালন করবেন।

মাসলেহাল জামাতঃ ইজতেমা ময়দানের ভান্ডার সংলগ্নস্থানে বরাবরের মতো এবারও মাসলেহাল জামাতের কামরা স্থাপনা করা হয়েছে। ময়দানে আগত কোনো মুসল্লির মৃত্যু হলে সেখানে মৃত ব্যক্তির গোসল দেয়া ও কাফন দাফনের ব্যবস্থা করা হয়। মাসলেহাল জামাতের মুরুব্বিরা মৃতের নাম ঠিকানা সংগ্রহ করে নিজ এলাকায় পাঠানো ব্যবস্থা করে থাকেন।

ময়দানে সুপেয় পানির ব্যবস্থাঃ ময়দানে আগত মুসল্লিদের ওজু গোসলসহ অন্যান্য কাজে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ৪ কোটি লিটার পানির প্রয়োজন হয়। সেজন্য পূর্বের স্থাপন করা ১৪টি গভীর নলকূপের পাশাপাশি এবার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ময়দানে নতুন করে ১হাজার ফুট গভীর ২টি নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে।

অস্থায়ী দোকানপাট ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ঃইজতেমা উপলক্ষে ময়দানের চারপাশের অবৈধভাবে গড়ে তোলা দোকানপাট ও বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এছাড়াও ময়দানের চারপাশে দেয়াল ও রাস্তার মোড়ে লাগানো অশ্লীল পোস্টার-ব্যানার, সাইনবোর্ড অপসারণ করা হয়েছে।

ইজতেমায় ট্রেন ও বাস সার্ভিস ঃইজতেমা উপলক্ষে বিশেষ ট্রেন চলাচলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ঢাকা-টঙ্গী, ময়মনসিংহ-টঙ্গী ও টাঙ্গাইল-টঙ্গী রুটে ১৩টি অতিরিক্ত ট্রেন পরিচালিত হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার রাকিবুর রহমান। তিনি আরও বলেন শুক্রবার জুমার দিন স্পেশাল ট্রেন চলাচল করবে। এই রুটে চলাচলরত প্রতিটি ট্রেন ইজতেমা চলাকালীন সময়ে টঙ্গী রেলওয়ে জংশনে যাত্রা বিরতি করবে।

এছাড়াও ইজতেমা উপলক্ষে ১২ জানুয়ারি থেকে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ৫দিন বিআরটিসি’র পক্ষ থেকে ৩শ’টি বিশেষ বাস চালু থাকবে। প্রগতিসরনি, আশুলিয়া বাইপাস এবং গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত সাটল বাস চালু থাকবে। আখেরী মোনাজাতের পর মুসল্লিদের বিভিন্ন জেলায় পৌছে দেয়ার জন্য একতলা বিশেষ বাস পরিসেবা চালু থাকবে। বিদেশি মেহমানদের জন্য একটি স্টীকারযুক্ত এসি বাস বিমানবন্দর থেকে ইজতেমা ময়দান পর্যন্ত নিয়মিত চলাচল করবে।

ডিএমপির বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনাঃআগামী ১৩-১৫ জানুয়ারি টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হবে ২০-২২ জানুয়ারি। ইজতেমাকে ঘিরে রাজধানীর টঙ্গী ও এর আশেপাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগম হয়। এ সময় মানুষ যেন নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারে সেজন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ যানবাহন পার্কিংয়ের জন্য কিছু স্থান নির্ধারণ করেছে। একই সঙ্গে বিমান বন্দরগামীদের জন্যও বেশ কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

ডিএমপির গাড়ি পার্কিং সংক্রান্ত তথ্যঃ
১. খিলক্ষেত থেকে আদুল্লাহপুর হয়ে ধউর ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তার দুই পার্শ্বে কোনো যানবাহন পার্কিং করা যাবে না।
২. ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের যানবাহন নিম্নবর্ণিত স্থানে (বিভাগ অনুযায়ী) যথাযথভাবে পার্কিং করবে-
(ক) ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ পার্কিং: উত্তরা ১৬ নম্বর সেক্টরের বিজিএমইএ ভবন। আর ১০, ১১ ও ৫ নম্বর ব্রিজের ঢালে।
(খ) সিলেট বিভাগ পার্কিং: উত্তরা ১৫ নম্বর সেক্টরের ২ নম্বর ব্রিজের ঢাল হতে উলোদাহা মাঠ পর্যন্ত।
(গ) খুলনা বিভাগ পার্কিং: উত্তরার ১৭ এবং ১৮ নম্বর সেক্টরের খালি জায়গা (বউবাজার মাঠ)।
(ঘ) রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগ পার্কিং: প্রত্যাশা হাউজিং।
(ঙ) বরিশাল বিভাগ পার্কিং: ধউর ব্রিজ ক্রসিং সংলগ্ন বিআইডব্লিউটিএ ল্যান্ডিং স্টেশন।
(চ) ঢাকা মহানগরী পার্কিং: ৩০০ ফিট রাস্তা এলাকায় খালি জায়গা।
যানবাহন পার্কিংয়ের সময় অবশ্যই চালক, হেলপারকে গাড়িতে অবস্থান করতে হবে। মালিক ও চালক একে অপরের মোবাইল নম্বর নিয়ে রাখবেন যাতে বিশেষ প্রয়োজনে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা যায়।

ডাইভারশন সংক্রান্ত তথ্যঃ আখেরি মোনাজাতের দিন অর্থাৎ ১৫ জানুয়ারি ও ২২ জানুয়ারি ভোর ৪টা থেকে কয়েকটি পয়েন্টে ডাইভারশন হবে। এগুলো হলো-ধউর ব্রিজ, ১৮ নম্বর সেক্টর পঞ্চবটী ক্রসিং, পদ্মা ইউলুপ, ১২ নম্বর সেক্টর খালপাড়, মহাখালী ক্রসিং, হোটেল রেডিসন ব্লু ক্রসিং, প্রগতি সরণী (বিশ্বরোড), কুড়াতলী ফ্লাইওভার লুপ-২, মহাখালী ফ্লাইওভার পশ্চিম পার্শ্ব, মিরপুর দিয়াবাড়ী বাসস্ট্যান্ড ক্রসিং ও আশুলিয়া বাজার ক্রসিং।

আখেরি মোনাজাতের আগের রাত অর্থাৎ ১৪ জানুয়ারি ও ২১ জানুয়ারি রাত ২টা থেকে আন্তঃজেলা বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও অন্যান্য যানবাহন আব্দুল্লাহপুর, ধউর ব্রিজ মোড় পরিহার করে মহাখালী-বিজয় সরণী-গাবতলী হয়ে চলাচল করবে।আশুলিয়া হতে আব্দুল্লাহপুরগামী যানবাহন আব্দুল্লাহপুর না এসে ধউর ব্রিজ ক্রসিং দিয়ে ডানে মোড় নিয়ে মিরপুর বেড়িবাঁধ দিয়ে চলাচল করবে।

মহাখালী বাসটার্মিনাল হতে আব্দুল্লাহপুরগামী আন্তঃজেলা বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ সব যানবাহন মহাখালী ক্রসিং-এ বামে মোড় নিয়ে বিজয় সরণী-গাবতলী দিয়ে চলাচল করবে।কাকলী ও মিরপুর হতে উত্তরাগামী বড় বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যানগুলোকে হোটেল র‌্যাডিসন গ্যাপে ডাইভারশন করা হবে। উল্লিখিত যানবাহনগুলোকে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের জন্য বলা হয়েছে।

১৫ জানুয়ারি ও ২২ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের দিন ভোর ৪টা থেকে প্রগতি সরণি ক্রসিং-আব্দুল্লাহপুর-ধউর ব্রিজ-আশুলিয়া ক্রসিং-মিরপুর মাজার রোড থেকে বেড়িবাঁধ সড়ক, চিড়িয়াখানা থেকে বেড়িবাঁধ সড়ক এবং পল্লবী ইস্টার্ন হাউজিং এলাকা থেকে বেড়িবাঁধ সড়ক পর্যন্ত সড়কগুলো যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

কাকলী ও মিরপুর হতে উত্তরাগামী প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস এবং সিএনজিকে নিকুঞ্জ-১ গেটের সামনে ডাইভারশন প্রদান করা হবে। উল্লিখিত যানবাহনগুলোকে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের জন্য বলা হলো।প্রগতি সরণী হতে আব্দুল্লাহপুরগামী যানবাহনগুলোকে কুড়িল ফ্লাইওভারের নিচে লুপ-২ এ ডাইভারশন প্রদান করা হবে। উল্লিখিত যানবাহনসমূহকে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের জন্য বলা হয়েছে।

১৫ জানুয়ারি ও ২২ জানুয়ারি উত্তরার বাসিন্দা, বিমান যাত্রী ও বিমান ক্রু বহনকারী যানবাহন, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া সব প্রকার যানবাহনের চালকদের বিমানবন্দর সড়ক পরিহার করে বিকল্প হিসেবে মহাখালী, বিজয় সরণী হয়ে মিরপুর-গাবতলী সড়ক ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ করেছে পুলিশ।

বিদেশগামী যাত্রীদের বিমানবন্দরে আনা-নেয়ার জন্য ১৫ জানুয়ারি ও ২২ জানুয়ারি ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগের ব্যবস্থাপনায় একটি বড় মাইক্রোবাস পদ্মা ইউলুপ, ২টি মিনিবাস নিকুঞ্জ-১ আবাসিক এলাকার গেটে এবং একটি বড় মাইক্রোবাস কুড়াতলী লুপ-২ এ ফ্রি পরিবহন সার্ভিসের জন্য ভোর ৪টা হতে মোতায়েন থাকবে।

স/অ