ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২১ এপ্রিল ২০২২
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

মুন্সীগঞ্জের মোল্লাকান্দিতে সারাবছর বাঁশের সাঁকোতে মসজিদে যাতায়াত

admin
এপ্রিল ২১, ২০২২ ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মুন্সীগঞ্জের মোল্লাকান্দিতে সারাবছর বাঁশের সাঁকোতে মসজিদে যাতায়াত

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের মুন্সীকান্দি গ্রামে যাতায়াত ব্যবস্থা অত্যান্ত নাজুক। হাটবাজার কিংবা জরুরি প্রয়োজনে গ্রামটির সাধারণ মানুষগুলো যাতায়াতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। গ্রামটিতে যাতায়াতে যান চলাচলের উপযোগী কোন রাস্তা আদৌ নির্মাণ করা হয়নি।

স্থানীয়রা জানান, মুন্সীকান্দি গ্রামের লোকজন সারাবছর দেওয়ানবাড়ীর সামনে থাকা বাঁশের সাঁকো দিয়ে দক্ষিনপাড়া জামে মসজিদে যাতায়াত করে আসছেন। এছাড়াও বিভিন্ন বাড়ীর লোকজন এই বাঁশের সাঁকোটি দিয়ে চলাচল করেন। মসজিদের মকতবে যেতে শিশুদেরকে পাড়ি দিতে হচ্ছে সাকো।

এছাড়াও মুসুল্লিরা কষ্ট করে সারাবছর সাকো পাড়ি দিয়ে মসজিদে যাতায়াত করেন। কিন্তু এলাকার জনপ্রতিনিধি এবং বিত্তবানরা এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা পালন করছেনা। এতে করে এখনও গ্রামটিতে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার গড়ে উঠেনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রামটিতে থাকা রাজনৈতিক ব্যক্তি, বিত্তবান এবং জনপ্রতিনিধি যারাই আছেন তারা এলাকার উন্নয়নে অর্থ ব্যয়ে আগ্রহী নয়। তারা এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, সহিংসতা, মারামারি, ককটেলবাজি এবং হামলা মামলায় কোটি কোটি টাকা ব্যয় করেন। গ্রামটিতে একটি কবরস্থান রয়েছে যেই কবরস্থান কেউ মারা গেলে দাফন করা হয়। সেই কবরস্থানটিরও বেহাল দশা।

মানুষ মারা গেলে শুকনো মৌসুমে সমতল জমিতে আর বর্ষার সময়ে উঁচু জায়গাতে মৃত ব্যক্তির দাফন করা হয়। গ্রামটিতে কিছু লোকজন আছেন তারা শান্তিপূর্ণ সমাজ ব্যবস্থা, ধর্মীয় শিক্ষা, বাচ্চাদেরকে সুÑশিক্ষিত করা এবং সুন্দর পরিবেশে সকলে মিলে মিশে বসবাসের পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে দিচ্ছেনা।

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিনরাত ককটেল ফাঁটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি, বাড়ীঘর ভাংচুর এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটায়। সাধারণ মানুষকে ভয়বীতি আর আতঙ্কের মধ্যে রাখে। আধিপত্য বিস্তারকারীরা এলাকার রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন, মসজিদে যাতায়াতের রাস্তা এবং মৃত্যুর পর যেখানে মানুষ চির নিদ্রায় শায়িত হবেন সেই স্থাটির দিকেও নজর দিচ্ছেনা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মুরব্বি জানান,বাঁশের সাকো দিয়ে কষ্ট করে সারাবছর মসজিদে যাতায়াত করি। গ্রাম থেকে বের হলে যাতায়াত ভোগান্তি। এলাকার যারা বিত্তবান এবং জনপ্রতিনিধি তারা এলাকার মানুষকে অতিষ্ট করে তোলে। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার ককটেল ফাঁটিয়ে মানুষের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

কিন্তু এলাকার য্গোাযোগ ব্যবস্থা, ধর্মীয় কাজে, সমাজের কল্যানে কেউ এগিয়ে আসে না। মারামারিতে লক্ষ লক্ষ টাকার ককটেল ফাঁটানো হয়। এই টাকা দিয়ে একটা ব্রিজ নির্মাণ করা যায়। দিনরাত গ্রামের ভিতরে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এগুলো সম্পুর্ন অপচয় আর জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি।

এই টাকা দিয়ে যদি এলাকার মসজিদ, মাদরাসা, কবরস্থান এবং রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন করা হতো তাহলে গ্রামটা আধুনিক শহর হয়ে যেতো।

স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বলছেন, গ্রামটিতে মানুষ যাতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বাস করতে পারে। আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা, ধর্মীয় শিক্ষা অর্জন, মসজিদ মাদরাসা, কবরস্থানের উন্নয়নে এগিয়ে আসবে এলাকার বিত্তবান ব্যক্তিগন এবং জনপ্রতিনিধিরা। এমনটাই প্রত্যাশা করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।

স/এষ্