কুড়িগ্রামের উপজেলাগুলোতে শুরু হয়নি টিকা প্রদান কার্যক্রম
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: সারা দেশের উপজেলায় উপজেলায় কোভিট -১৯ মোকাবেলায় সিনোফার্ম এর টিকা করণ আজ ১২ জুলাই সোমবার একযোগে শুরু হলেও কুড়িগ্রামের উপজেলাগুলোতে শুরু হয়নি এ কার্যক্রম। তবে আগামী কাল ১৩ জুলাই মঙ্গলবার থেকে কয়েকটি উপজেলায় টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হবে বলে নিশ্চিৎ করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
কয়েকটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সূত্রে জানা গেছে, টিকা প্রাপ্তি দেরী, জনবল সংকট ও যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে দেশের অন্যান্য উপজেলার সাথে একযোগে টিকা করণ কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি। তবে আজ সোমবার দুপুর পর্যন্ত কুড়িগ্রাম টিকা সংরক্ষণাগার থেকে জেলার ৯ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিনোফার্মের টিকা বিতরণ কার্যক্রম চলছিলো।
কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলায় সিনোফার্মের মোট ৩২ হাজার ডোজ টিকা পাওয়া গেছে। এর মাধ্যে ১৬হাজার ডোজ ৯ উপজেলায় বিতরণ চলমান রয়েছে। বিতরণকৃত ১৬ হাজার ডোজ টিকার মধ্যে ভূরুঙ্গামারীতে ১হাজার ৬০০, রাজিবপুরে ৬০০, চিলমারীতে ৮০০,ফুলবাড়িতে ১হাজার ৬০০, সদর উপজেলায় ৩হাজার ২০০,নাগেশ্বরীতে ২হাজার ৪০০, রাজারহাটে ১হাজার ৬০০,রৌমারীতে ১হাজার এবং উলিপুরে ১হাজার ৬০০ ডোজ বরাদ্দ দেয়া হয়।
নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজিদ হাসান লিংকন জানান, টিকা প্রাপ্তিতে দেরী এবং জনবল সংকটে কারণে আজ (১২জুলাই) টিকা করণ শুরু করা সম্ভব হয়নি। আজকে (১২ জুলাই) বরাদ্দকৃত টিকা পাওয়া যাবে। টিকা আসার পর টিকা করণের জনবলের ব্যবস্থা এবং প্রচার প্রচারণা সাপেক্ষে টিকা করণ শুরু করা হবে।
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ.এস.এম সায়েম বলেন, টিকা করণের সব প্রস্তুতি আমাদের নেয়া আছে। টিকা হাতে আসা মাত্রই আমরা টিকাকরণ শুরু করতে পারবো। আশা করছি আগামী কাল (১৩ জুলাই) মঙ্গলবার থেকে আমরা টিকা করণ কার্যক্রম শুরু করতে পারবো।
কুড়িগ্রামের ডেপুটি সিভিল সার্জন ড. বোরহানুল সিদ্দিকির মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও ফোন কল গ্রহণ করেননি।
জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম জানান, সদর উপজেলায় টিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। অন্যান্য উপজেলায় ইতিমধ্যে ৭হাজার ৬ ডোজ টিকা পৌছে গেছে। সেগুলোতে আগামীকাল ১৩ জুলাই টিকা প্রদান শুরু হবে।
স/অ

