শিক্ষা মন্তনালয়ের নির্দেশ মানা হয়নি।। হাতীবান্ধায় মাদ্রাসায় জাল সাটিফিকেট দিয়ে চাকুরী করার অভিযোগ
লালমনিরহাট জেলা সংবাদদাতা।। শিক্ষা মন্তনালয়ের নির্দেশ মানা হয়নি। হাতীবান্ধায় একটি মাদ্রাসায় জাল সাটিফিকেট দিয়ে চাকুরী করার অভিযোগ।
জানা গেছে, লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার দই খাওয়া এছান মিয়া ও আওলাদ মিয়া আলিম মাদ্রাসার কম্পিউটার বিভাগের সহকারী শিক্ষক মোঃ সাইদুল ইসলাম ( ইনডেক্স নং ৬৯৩১০২) তিনি গত ৩০ এপ্রিল ২০০২ ইং তারিখে ওই মাদ্রাসায় যোগদান করেন।
গত ১জুন ২০০২ ইং তারিখে হতে ৩ হাজার ৪ শত টাকার স্কেলে এমপিও ভূক্ত হন। তার উপস্থাপিত কম্পিউটার সাটিফিকেট টি যাচাই-বাছাই এর জন্য শিক্ষা অধিদপ্তরে গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ ইং তারিখে স্মারক নং ৩৭.১৯.০০০০.০৩৪.১৬.০৫০.২৩.৫৫ এ সংখ্যক স্মারকে নেকটার বরাবর পএ প্রেরন করা হয়।
উক্ত পএের প্রেক্ষিতে নেকটার গত ১৫ ফ্রেব্রুয়ারী ২০২৪ ইং তারিখে স্মারক নং ৫৭.২১.০০০০.০০৭.৩৬.০০২.২০.৮৪ সংখ্যক স্মারকে জানিয়েছে। উক্ত কম্পিউটার সাটিফিকেট টি ভূয়া ও জাল। ফলে মোঃ সাইদুল ইসলাম যত দিন চাকুরী করে বেতন উত্তোলন করেছেন।
যাহা সমূদয় ফেরত দেয়ার নির্দেশ দিলেও শিক্ষা মন্তনালয়ের নির্দেশ অমান্য করে। তিনি চাকুরী করে বহাল তবিয়তে সরকারি অংশের বেতন উত্তোলন করেই আসছেন। এ বিষয়ে ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে। তিনি জানান, যথা নিয়মে ওই সহকারী শিক্ষক ব্যাখা দিয়েছেন।
অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ সাইদুল ইসলাম বলেন, আমার সাটিফিকেট জাল কিংবা ভূয়া নয়। এদিকে জাল সাটিফিকেট দিয়ে বহালতবিয়তে চাকুরী করায় এলাকাবাসীর মাঝে আলোচনা – সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স/এস্

