মুসীগঞ্জের জারিয়ায় নৌপথে দিন- দুপুরে চাঁদাবাজি
এম এম রহমান,মুন্সীগঞ্জ ।। মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বালুয়াকান্দি ইউনিয়নের উত্তর-পুর্বাংশের সীমান্তবর্তী বোয়ালখালী নদীতে চলাচলকারী বিভিন্ন যানবাহনে দিন-দুপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, টেংগারচর ইউনিয়নের ভাটেরচর, বালুয়াকান্দী ইউনিয়নের মুদারকান্দী আড়ালিয়া এলাকা সংলগ্ন ওই নদীর একাধিক পয়েন্টে স্থানীয় একটি চাঁদাবাজ চক্র ওই পথে চলাচলকারী নৌযানের মাঝি- শ্রমিকদের থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের করে করছেন।
জানা যায়, ওই পথে চলাচলকারী ইট, বালু পাথর, কয়লা ও বিভিন্ন মালবাহী জলযান ও বল্কহেডের মাঝি, শ্রমিক ও নৌ মালিকেরা এ চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছেন।
ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, স্থানীয় একটি চাঁদাবাজ চক্র এ চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে। চাহিদা অনুযায়ী চাঁদা না দিলে চাঁদাবাজরা নৌ শ্রমিকদের নানাভাবে হয়রানি ও মারধর করে করেন।
জানা যায়, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আমদানিকৃত পণ্য পরিবহনের মাধ্যম এই নদীপথ। ওই নদীপথে বালুবাহী বাল্কহেডসহ অন্যান্য নৌযান চলাচলের সময় একাধিক স্থানে ছোট ছোট ইঞ্জিন নৌকার সাহায্যে চাঁদা আদায় করে করছে চাঁদাবাজ চক্র।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নৌ শ্রমিকরা জানান, চাঁদাবাজদের কথা মতো চাঁদা না দিলে মারপিট করা হয় তাদেরকে। এমনকি প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে থাকে এসব চাঁদাবাজরা। এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তারা। তারা আরোও জানান, ৫ ই আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে পুলিশ পোশাসন নদীতে তাদের অভিযান এবং টহল কমে যায়।
এই সুযোগে নদী পথে চাঁদাবাজরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন পয়েন্ট মালবাহী নৌযান থেকে চাঁদা নিচ্ছে চাঁদাবাজরা। জেনো দেখার কেউ নেই। দ্রুত সময়ে নদী পথে নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি চাঁদাবাজি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন নৌযান চাকক ও শ্রমিকরা।
গজারিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো: গোলাম মোস্তফা জানান, বিষয়টি আমরা খোঁজ খবর নিয়ে দেখবো। গজারিয়া উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ওই পথে চলাচলকারী নৌযানে চাদাবাজির খবর তিনিও লোক মুখে জেনেছেন।ৎ
স/এষ্

