ঢাকাসোমবার , ২৯ জুলাই ২০২৪
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

কুটির শিল্প কারিগরদের চলছে দুর্দিন

চমক নিউজ বার্তা কক্ষ
জুলাই ২৯, ২০২৪ ৭:২৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কুটির শিল্প কারিগরদের চলছে দুর্দিন

আব্দুল্লাহীল বাকী বাবলু, পীরগঞ্জ (রংপুর) ।। রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাঁশ কুটির শিল্পের অবস্থা অনেকটাই মন্দা, পুঁজির অভাবে এবং তৈরি জিনিসপত্রের চাহিদা কম।

ফলে এখন তাদের দুর্দিন। হারাতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী বাঁশের তৈরি জিনিসপত্র। সকল পণ্যের দাম বাড়লেও তাদের হাতের তৈরি পণ্যের দাম বাড়েনি। যে কারণে এ শিল্পে কর্মরতদের মধ্যে নেমে এসেছে অলসতা।

জানা গেছে, বাঁশ শিল্পের পণ্যসামগ্রী কিছু দিন আগে সবখানেই প্রচুর চাহিদা ছিল। বর্তমানে এসব পণ্যের বাজারে চাহিদা কম কারণে এ শিল্পের কারিগরদের দুর্দিন দিন কাটছে।

দেহের গতিতে চলছে তাদের কাজকর্ম। উপজেলার চতরা মাহালী পাড়ায় ২৬টি, গুর্জিপাড়ায় ৫টি এবং চৈত্রকোল মৌলি পাড়ায় ১৭টি পরিবার বাঁশের তৈরি পণ্যের উপর নির্ভর করে তাদের সংসার চলে। জিনিসপত্রের চাহিদা কমে যাওয়ায় বিকল্প কর্মের সন্ধানে অনেকেই নেমে পরেছে।

চতরা মাহালী পাড়ার দানিয়াল হ্যামরম, কেষ্ট টুডু, বাবু লাল মার্ডী, বলেন, আমরা ছোট বেলা থেকে এ শিল্পের কাজ করে আসছি। এখানে ২০ থেকে ২৫টি পরিবার এই শিল্পে কাজের সাথে জড়িত ছিল।

বর্তমানে বাঁশের বাজার আগের মতোই থাকলেও ডালি, কুলা, ডালা, খাঁচারসহ তাদের হাতের তৈরি সকল জিনিসপত্রের দামও আগেই মতোই রয়েছে।

চাল ডাল তেলসহ সকল মালামালের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে এ শিল্পের কারিগররা এখন অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে। শত কষ্টের মধ্যেও আমরা কয়েকটি পরিবারের লোকজন কাজকর্ম ছাড়েনি।

আমাদের এই শিল্পে সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যদি তাদের পাশে দাঁড়াতেন হয়তো বা এই শিল্পকে তারা ধরে রাখতে পারতেন। চৈত্রকোল মাহালী পাড়ার রাজেন বাসকে বলেন, বাপ-দাদা এই শিল্পের কাজ করে গেছে আমরাও এই শিল্পের সাথে জড়িয়ে আছি।

প্রতিটি মালামালের দাম পরিবর্তন হলেও আমাদের পণ্যের দাম বাড়েনি। তাছাড়া প্লাস্টিকের পণ্যের আধিক্যের কারণে আমাদের বাঁশ শিল্পের পণ্যের চাহিদা কমে গেছে।

ফলে এ পেশা ছেড়ে জীবিকার তাগিদে বাধ্য হয়ে অনেকেই নানামুখী কাজকর্মের সাথে জড়িয়ে পড়ছেন। স্থানীয় লোকজন বলছেন, এই শিল্পে সরকারি এবং বেসরকারি সংগঠন পাশে দাড়াতে হবে। না হলে এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখা অনেক কঠিন হবে।

স/এষ্