দক্ষিণখানে কারফিউয়ের প্রভার ছিলো আতঙ্ক ছিলো না
রাহুল রাজ ।। রাজধানীর দক্ষিণখান ও এর আশেপাশের এলাকাগুলোতে কারফিউয়ের প্রভার থাকলেও এর আতঙ্ক বেশি দেখা যায়নি। এসব এলাকায় রাস্তাঘাটে লোকজনের চলাচল কম থাকলেও জীবনযাত্রা ছিলো প্রায় স্বাভাবিক। খোলা ছিলো বাজার ঘাট ও পাড়া মহল্লা দোকানপাট।
চায়ের দোকানগুলোতে প্রতি মুহুর্তের খবর শোনার জন্য রাস্তায় চলাচলকারি লোকজনের জমায়েত ছিলো চোখে পড়ার মত। খিলক্ষেত থেকে কাওলা হয়ে দক্ষিণখান-উত্তরখান দিয়ে আব্দুল্লাপুর পর্যন্ত পুরো এলাকায় কারফিউয়ে এখানকার মানুষকে খুব বেশি ঘরে রাখতে পারেনি। ইন্টারনেট না থাকায় দলবন্ধ হয়ে গল্প করতে দেখা গেছে অনেককে।
নতুন প্রজন্মের কাছে কারফিউ একটি নতুন শব্দ। কারফিউতে কি হয় আর কি না হয় তা জানে না এই এলাকার অধিকাংশ তরুণ-তরুনী। অনেকে কারফিউকে লকডাউনের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলছে। রোববার- সোমবার সাধারণ ছুটি থাকায় এসব এলাকার কর্মজীবিরা বেশিরভাগই পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়েছে।
অনেকে কাওলার বিভিন্ন রাস্তা, আশিয়ান সিটি, দক্ষিণখানের স্প্রিং সিটি বালুর মাঠ, কাঁচকুড়া গাঙ্গপাড়, খিলক্ষেত বাজার ও এর আশেপাশে সময় কাটিয়েছেন। ফাঁকা মাঠে ক্রিকেট বা ফুটবল খেলে সময় পার করতে দেখা গেছে অনেককে।
চমক নিউজ এর নিজস্ব প্রতিবেদক শাহীন মিয়া জানান, দক্ষিণখান, উত্তরখান ও এর আশে-পাশের রাস্তা সংস্কার হচ্ছে যার ফলে যানবাহন চলাচলে অসুবিধা থাকায় এসব এলাকায় কারফিউয়ের প্রভাব খুব বেশি পড়তে পারে নি।
তবে সাবেক ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা মো: তাহেরুল ইসলাম তানভির জানান, এসব এলাকায় দুষ্কৃতকারী বিভিন্ন নাশকতা ও ক্ষয়কক্ষতির চেষ্টা চালালেও আমাদের শক্ত অবস্থানের কারণে তাদের উদ্দেশ্যে সফল হতে পারেনি।
দক্ষিণখান, উত্তরখান, কাওলার, খিলক্ষেত, আশকোনা, গাওয়াইর, প্রেমবাগান ও এর আশেপাশে পুলিশ, বিজিবি, আর্মির টহল খুব বেশি চোখে পড়ে নি।
তবে কারফিউতে দূরপাল্লার গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় কাঁচা বাজার ও মাছ-মাংসের দাম বেড়েছে কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা।
স/এস্

