জলাবদ্ধতার কারণে নাকাল উত্তরখান দক্ষিনখান বাসী
মো : রফিকুল ইসলাম মিঠু, উত্তরা ঢাকা।। সামান্য বৃষ্টিতে রাজধানীর আজমপুর কাঁচাবাজার ও সিএনজি পাম্প হয়ে চৈতি গার্মেন্ট পর্যন্ত প্রায় আধা কিলোমিটারের বেশি সড়ক মাসের পর মাস নোংরা পানির নিচে ডু্বে থাকে। আজমপুর রেললাইন ও উত্তরখান মাজার হয়ে দক্ষিণখান ও উত্তরখানের মানুষের চলাচলের অন্যতম রাস্তাটি সামান্য বৃষ্টিতেই পানিতে তলিয়ে যায়।
বাসাবাড়ির ব্যবহত ময়লা পানি আর বৃষ্টির পানি সবই মিশে একাকার হয়ে নেমে আসছে রাস্তায়। এছাড়াও দক্ষিণখান ও উত্তরখান বেশিরভাগ এলাকায় বৃষ্টি হলে হাঁটু পানিতে ডুবে থাকে। কাদামাটি আর জলাবদ্ধতায় বাজারে চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে মানুষকে। দক্ষিণখান ও উত্তরখান মেইন সড়ক ও অলি-গলিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এতে মানুষকে বেশ ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
বৃষ্টি হলেই দক্ষিণখান প্রেমবাগান, গাওয়াইর, সি এন জি পাম্প, মাটির মসজিদ, কসাইবাড়ি রোড, চামুরখান থেকে মইনারটেক রোড,মাজার থেকে আটিপাড়া রোড,আটিপাড়া থেকে মাষ্টার পাড়া রোড,মইনারটেক থেকে দোবাইদা, কাঁচকুরা, মুন্ডা যাওয়ার রাস্তা গুলো দিনের পর দিন পানিতে তলিয়ে থাকে। এলাকা গুলো সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি)অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পরেও দক্ষিণখান ও উত্তরখান এলাকায় মানুষ সিটি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
সরোজমিনে দেখাগেছে সড়কে যানবাহন চলাচলের সময় ছোটখাটো ঢেউয়ের সৃষ্টি হচ্ছে, আর সেই ঢেউ আছড়ে পড়ছে ফুটপাতে। কাজেকর্মে যাওয়ার সময় জমে থাকা পানি ঢেউয়ের মতো গায়ে এসে পড়ছে। জামা কাপড় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
উত্তরখান মাজার এলাকায় বাসিন্দারা বলেন, আজমপুর কাঁচাবাজার হয়ে মাজার রোড এলাকায় হঠাৎ বৃষ্টিতে বেশ কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। নিচু বাড়িঘরে পানি ডুকে পড়েছে দেখা দিয়েছে বিভিন্ন রোগবালাই।
অপরদিকে আবহাওয়া অফিস বলছে চলতি মাস জুড়েই বৃষ্টি হবে। এদিকে ৪৭,৪৪,৫০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের সঙ্গে কথা বল্লে তারা প্রত্যেকেই বলেন সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর এর মাধ্যমে রাস্তাগুলোর কাজ চলমান।
এ বিষয়ে ঢাকা-১৮ আসনের এমপি হাবিব হাছান বলেন, এলাকাটি নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে পড়েছে। কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। যে সকল ওয়ার্ডে পানি ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে সেই সকল ওয়ার্ড কাউন্সিলরদেরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পানি নিষ্কাশনের জন্য ওয়ার্ড কাউন্সিলররা নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন।
ডিএনসিসির অঞ্চল-৭ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া আফরীন জানান, পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ যেন না হয় সেজন্য আমাদের কুইক টিম সার্ভিস চালু আছে। যেখানেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে সেখানে কুইক টিম সার্ভিস কাজ করবে।
সেই সঙ্গে দক্ষিণখান এবং উত্তরখান কিছু কিছু এলাকায় ড্রেনের ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। আমরা সিটি করপোরেশন পক্ষ থেকে কাজ করতেছি। বিভিন্ন ওয়ার্ডে ড্রেনের ব্যবস্থা সম্প্রসারণের কাজ চলতেছে। আশা করি খুব তাড়াতাড়ি এই এলাকার মানুষের সুফল ভোগ করবে।
স/এষ্

