ঢাকাসোমবার , ৮ মে ২০২৩
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

দিলপাশার ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করায় প্রাণনাশের হুমকি

চমক নিউজ বার্তা কক্ষ
মে ৮, ২০২৩ ৫:১৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দিলপাশার ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করায় প্রাণনাশের হুমকি

ভাঙ্গুড়া(পাবনা)প্রতিনিধি  ।। পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়র পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান এর বিরুদ্ধে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদ করায় ইউপি সদস্যেদের প্রণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় গত ৫ মে পরিষদের ১১ জন ইউপি সদস্য ভাঙ্গুড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এরআগে গত ২ মে ওই ১১ জন ইউপি সদস্য পাবনা জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন। আব্দুল হান্নান দিলপাশার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বলে জানা গেছে।

লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, বিভিন্ন প্রকল্পে ইউপি সদস্যদের নামমাত্র পিআইসি রেখে তিনি নিজেই কাজ করেন এবং পরে পিআইসিকে জোরপূর্বকভাবে বিলে স্বাক্ষর করিয়ে সব টাকা উত্তোলন করেন। ইউনিয়ন পরিষদে তিনি মাসিক মিটিং না করে ইউপি সদস্যদের সারা বছরের মিটিং এর রেজুলেশনে স্বাক্ষর করিয়ে নেন।

ইউপি সদস্যদের পরিষদের আয়-ব্যয়ের হিসাব না দেওয়াসহ এমনকি ইউনিয়ন পরিষদে বাৎসরিক বাজেট ঘোষণা করা হয় না। ২০২১-২২ অর্থবছরে ইউনিয়ন পরিষদে গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় ১০ টন টিআর বরাদ্দ হয়। কিন্তু সেই প্রকল্পে কোনো কাজ করা হয়নি।

ওই বছর কাবিটা কর্মসূচির আওতায় ২ লাখ ৬২ হাজার টাকায় রাস্তায় মাটি ভরাটের একটি প্রকল্পে কাজ না করেই বিল উত্তোলন করে নেন চেয়ারম্যান। একই অর্থবছরে জনগণের ট্যাক্স এবং রাজস্বের ২ লাখ টাকা ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে আত্মসাৎ করেন। এছাড়া জন্ম নিবন্ধন, ওয়ারিশ সনদ, মৃত্যু সনদ ও ট্রেড লাইসেন্স বাবদ অতিরিক্ত অর্থ আদায়সহ আদায় কৃত টাকাও চেয়ারম্যান রাজস্ব খাতে জমা করেননি।

২০২১-২০২২ অর্থ বছরে হতদরিদ্র ভিজিডি কার্ডধারীদের সঞ্চয়ের ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা ফিরিয়ে দেয়নি এই চেয়ারম্যান। সঞ্চয়ের টাকা হতদরিদ্ররা ফেরত চাইলে তাদেরকে ভয়-ভীতি দেখানো হয়েছে। গ্রাম আদালত পরিচালনা না করে নিজেই সালিশি কার্যক্রম পরিচালনা করে চেয়ারম্যান।

ইউপি সদস্যরা বলেন, পাবনা জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করার পর গত ৪ মে বিকেলে উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ আপস মিমাংসার লক্ষে আমাদেরসহ চেয়ারম্যানকে ডেকেছিল। সেখানে চেয়ারম্যান সকলের উপস্থিতে উত্তেজিত হয়ে বলেন আমার বাপ/চাচা মাডার-খুন করেছে প্রয়োজনে আমি ও করবো। এখন আমরা নিরাপত্তাহিনতায় ভুগছি।

৮ নং ওয়ার্ডের সদস্য ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আক্কাস আলী বলেন, আমরা জনগণের ভোটে সদস্য হয়েছি। তাই জবাবদিহিতা করতে হয়। কিন্তু চেয়ারম্যানের স্বেচ্ছাচারিতায় আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি। এভাবে চলতে পারে না। নিরুপায় হয়ে প্রশাসনের দারস্থ হয়েছি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ইউপি সদস্য বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের শুরু থেকেই সরকারি বিধি বিধানের তোয়াক্কা না করে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে নানা ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি করে আসছে চেয়ারম্যান।

অভিযোগের বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান বলেন, আমি কিংবা কোনো মেম্বার ফেরেশতা নই। কিছু ভুল ত্রুটি থাকতে পারে। তবে এসব অভিযোগ সঠিক নয়। ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসেদুল ইসলাম অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স/এষ্