ঢাকাশুক্রবার , ২৪ জুন ২০২২
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

রাজধানীতে পৃথক এদুর্ঘটনা গৃহকর্মীসহ তিন নারীর মরদেহ উদ্বার 

চমক নিউজ বার্তা কক্ষ
জুন ২৪, ২০২২ ৩:৩৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রাজধানীতে পৃথক এদুর্ঘটনা গৃহকর্মীসহ তিন নারীর মরদেহ উদ্বার

এস, এম, মনির হোসেন জীবন: রাজধানীতে পৃথক এদুর্ঘটনা এক গৃহকর্মীসহ তিন নারীর মরদেহ উদ্বার করেছে পুলিশ। নিহতরা হলেন- রামপুরা বনশ্রীর গৃহকর্মী সোনিয়া আক্তার (১৪), বংশাল নবাবকাটারা এলাকার আসমা বেগম (৪০) ও মুগদার ফারিয়া ওরফে রিয়া (১৭)।

পুলিশ বলছে, অস্বাভাবিক ভাবে তিন নারীর মৃত্যু হয়েছে। ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ার ইনচার্জ (ওসি) মো. বাচ্চু মিয়া তিন নারীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

ওসি জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতের বিভিন্ন সময়ে রামপুরা বনশ্রী, বংশাল নবাবকাটারা ও মুগদা এলাকায় পৃথক এ ঘটনা গুলো ঘটে। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের মরদেহ গুলো মর্গে রাখা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহত সোনিয়ার বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার কাটপট্টি, আসমা বেগম ঢাকার বংশাল নবাবকাটারা ২৩/৫ নম্বর বাড়ির ২য় তলায় ভাড়াবাড়ি এবং ফারিয়া ওরফে রিয়ার ফরিদপুর কোতয়ালী থানার গ্রামের বাড়ি।

এদিকে, মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফেরদৌসি আক্তার জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে খবর পেয়ে মুগদা থানার পাশের গলির একটি বাড়ির ৬তলা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় ফারিয়া ওরফে রিয়ার (১৭) নামে এক নারীর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া ছিল তার। ৬ মাস আগেই তার বিয়ে হয়েছে। গ্রামের বাড়ি ফরিদপুর কোতয়ালী থানায়। গ্রামেই থাকতেন তিনি।

নিহতের লোকজন আরও জানান, রিয়া গত মঙ্গলবার চিকিৎসার জন্য গ্রাম থেকে মুগদার তার এক আত্মীয়ের ওই বাসায় আসেন। পরে বৃহস্পতিবার মোবাইল ফোনে মায়ের সঙ্গে রাগারাগি হয় তার। পরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

এদিকে, নিহত আসমার ছোট ভাই মো. রাজু জানান, বংশাল নবাবকাটারা ২৩/৫ নম্বর বাড়ির ২য় তলায় ভাড়া থাকতেন আসমা। দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে ১৮ বছর আগে তার বিয়ে হয়। তাদের কোনো সন্তান নেই। পারিবারিক বিভিন্ন কারণে গত ২২ মে স্বামীকে তালাক দেন আসমা। তবে, সম্প্রতি তিনি আবার সাবেক স্বামীর সঙ্গে সংসার করার জন্য যোগাযোগ করছিলেন।

তবে দেলোয়ার এতে রাজি হচ্ছিলেন না। এনিয়েই রাগ করে গত বৃহস্পতিবার রাতে বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেয় আসমা। পাশের কক্ষের ভাড়াটিয়া দেখতে পেয়ে রাত দেড়টার দিকে খবর দেয় তাদের। তখন বাসায় গিয়ে স্বজনরা আসমাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মারা যান তিনি।

সোনিয়ার বাসার গৃহকর্তা নাজগীর আহমেদ জানান, মাত্র দুই মাস আগে সোনিয়ার বড় বোন সোনিয়াকে ওই বাসায় গৃহকর্মীর কাজের জন্য দিয়ে যান। বৃহস্পতিবার রাতে সবাই বাসায় ছিলেন।

রাত সাড়ে ৯টার দিকে গৃহকর্তা বারান্দায় গিয়ে দেখেন ব্যায়াম করার জন্য ঝুলানো রিং’র সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছে সোনিয়া। সঙ্গে সঙ্গে তাকে নামিয়ে স্থানীয় ফরাজি হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ সেখান থেকে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত আড়াইটার দিকে সোনিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। তবে, কী কারণে সোনিয়া গলায় ফাঁস দিতে পারে সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেনি গৃহকর্তা।

পুলিশ ও স্হানীয়রা জানান, সোনিয়ার বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার কাটপট্টি এলাকায়। বর্তমানে রামপুরা বনশ্রীর সি ব্লক, ৮ নম্বর রোডের ২৪ নম্বর ৪তলা বাড়ির ২য় তলার বাসায় গৃহকর্তা নাজগীর আহমেদের বাসায় কাজ করতেন তিনি।

এসব পৃথক ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় তিনটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

স/এষ্