টানা দুই ম্যাচে ছয়জন শুন্য রানে আউট
শামসুল ইসলাম, ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার : এটাকে কি নিছক দূর্ঘটনা বলা যায়? না টানা দুই ইনিংসে একই ঘটনা ঘটবে তা দূর্ঘটনা নয় বরং আমাদের সামর্থ্যের বহিঃপ্রকাশ মাত্র। ইতিহাসে যে ঘটনা মাত্র সাতবার ঘটেছে, তারমধ্যে ৩ বারই সেখানে আমাদের নাম। সুতরাং একে নিছক দূর্ঘটনা বলে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নাই।
বরং এটাই টেস্ট এ আমাদের প্রকৃত সামর্থ্য। মাঝেমধ্যে যেটুকু ভাল খেলি সেটাই বরং ফ্লুক।
ছয়জন শুন্য রানে আউট এদের ৪ জনই কিন্তু স্বীকৃত ব্যাটার। আর আউটের ধরণগুলো যদি ক্রিকেটিয় দৃষ্টিকোন থেকে বিশ্লেষণ করি, তাহলে দেখা যায়- তামিম ও মিরাজ লেগ স্টাম্পের বাইরের বল অহেতুক খেলতে গিয়ে কটবিহাইন্ড আউট। সোহানকে দেখে মনে হলো জীবনে প্রথম ক্রিকেট ব্যাট হাতে নিয়ে মাঠে নেমেছেন, ইচ্ছাকৃত প্যাড আপ করবেন ভাল, তাতে আম্পায়ার আউট দিবেন ব্যাট অফার না করার কারণে সেখানেও কিছু বলার নেই, একটা সাধারণ মানের স্লো মিডিয়াম বলকে নিজেই আনপ্লেয়েবল বানিয়ে দিলেন সোহান, যা দৃষ্টিকটু লেগেছে।
এরপর আসি শান্ত প্রসঙ্গে- তিনিতো সঠিকভাবে ডিফেন্স করতেই জানেন না, অথচ তাকে দিনের পর দিন দলের বোঝা হিসেবে ক্যারি করছি। তাও আবার তিন নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ পজিশনে। মমিনুল কে আলোচনার বাইরেই রাখছি। ব্যাডপ্যাচ সকলেরই হয় কিন্তু সেটা কতদিন?
আর টেইলএন্ডার বলে কিছুই নেই আমাদের। তাসকিন মাহমুদউল্লাহর সাথে জুটি গড়েছিল, সে পারে, এরা পারেনা কেন? তাপস, হাসিবুল হোসেন শান্ত, রুবেল, শফিউল তারাও পেস বোলার ছিল। ১০, ১১ নম্বরে ব্যাট করে তবুও কিছু অবদান রাখতো। বিপদের দিনে শেষ ৩ জনের কাছ থেকে ৩০ রান এলেওতো লজ্জাজনক পরিস্থিতি এড়িয়ে যাওয়া যায়!
সুতরাং বলতে বাধ্য হচ্ছি, সর্বাঙ্গে ব্যথা ওষুধ দিব কোথা!!
স/এষ্

