কুষ্টিয়ায় বিবাহিত যুবকও ছাত্রলীগ নেতা
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সদ্য ঘোষিত পুর্নাঙ্গ কমিটিতে সহ-সভাপতি মিরাজুল ইসলাম মিরাজ। ছাত্র রাজনীতির বাইরেও তার রয়েছে আরেক পরিচিতি। মিরাজ বিবাহিত ২০২১সালে কুষ্টিয়ার সদরের শরিফুল ইসলামের মেয়ে সোনিয়া খাতুনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি।
তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এক নেতার ভাতিজা হওয়ায় মিরাজ নিজ ক্ষমতা বলয়ে জেলায় তৈরি করেছেন মাদক ও নারী কারবারির সিন্ডিকেট। দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে মাদক বিক্রয় ও কম বয়সী নারীদের সাপ্লাইও করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে এই নেতার বিরুদ্ধে।
তার বিয়ের কাবিনসহ ফেসবুক মেসেঞ্জারের কথোপকথনের কয়েকটি স্ক্রিনশট এই নিউজের প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষণ রয়েছে। বিবাহিত, মাদক ব্যবসায়ী, একজন চিহ্ন নারী কারবারি সদ্য ঘোষিত জেলা ছাত্রলীগের পুর্নাঙ্গ কমিটিতে সহ-সভাপতির পদ পাওয়ায় এই নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন নেতাকর্মীরা।
শুধু মিরাজই নয়,একই পদে একাধিক বিবাহিতরাও পদ পেয়েছেন। এছাড়া র্যাব ও পুলিশের হাতে একাধিক বার গ্রেফতার চিহিৃত মাদক কারবারিও এই কমিটিতে সহ-সভাপতির পদ পেয়েছেন।
এছাড়া চাকুরিজীবী ও এমনকি বিএনপি পরিবারের সন্তানরাও কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন। এ নিয়ে নেতা-কর্মিদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এই নিয়ে চলছে আলোচনা-সমলোচনার ঝড়।
এ ব্যাপারে মিরাজুর ইসলাম মিরাজের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে। কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ হাফিজ চ্যালেঞ্জ বলেন, তার বিয়ের কাবিনসহ ফেসবুক মেসেঞ্জারের কথোপকথনের কয়েকটি স্ক্রিনশট আমরাও পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।
স/এষ্

