ঢাকাসোমবার , ১৮ নভেম্বর ২০২৪
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যথাসাধ্য রোগীদের সেবা দিচ্ছে।

চমক নিউজ বার্তা কক্ষ
নভেম্বর ১৮, ২০২৪ ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যথাসাধ্য রোগীদের সেবা দিচ্ছে।

 লালমিনরহাট প্রতিনিধি।। লালমনিরহাটে শীতের প্রকোপ, ঘরে ঘরে নিউমোনিয়া, সর্দি, কাশি, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগ দেখা দিয়েছে। তার মধ্যে ঠান্ডাজনিত রোগে শিশু ও বৃদ্ধারা প্রতিনিয়ত হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।

জানা গেছে, উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাট। জেলার ৫টি উপজেলা হিমালয়ের পাদদেশে ঘেঁষা তাপমাত্রা হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি ঘন কুয়াশা শীতল বাতাসের প্রবাহ বাড়িয়ে দিচ্ছে শীতের তীব্রতা। অগ্রহায়ণের দ্বিতীয় দিনে সকাল থেকে ঠান্ডা ও ঘনকুয়াশায় আছন্ন হয়ে আছে গোটা জনপদ।

তাছাড়াও দিনজুড়ে গরম থাকলেও রাতের বেলা শিশিরের ফোঁটায় যেন বৃষ্টির মতো ঝরছে ঠান্ডা। শীতের হালকা গরম কাপড় বের করতে হয়েছে। মাঝরাত থেকেই শীত অনুভব হতে থাকে। টিনের চালে টিপটিপ করে শিশির পড়তে শোনা যায়। ভোর পর্যন্ত গায়ে কম্বল ও কাঁথা গায়ে নিতে হচ্ছে।

অন্যান্য জেলার আগেই লালমনিরহাটে শীতের আগমন ঘটে। গত কয়েক দিনের শীতের তীব্রতায় বিশেষত শিশু ও বয়স্কদের কষ্ট বেড়েছে। ঘন কুয়াশার কারণে যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

লালমনিরহাট ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল সুত্র জানান, শীতের তীব্রতা দিন দিন বাড়বে। ঠান্ডার প্রকোপে প্রতিদিন গড়ে ৮/১০ জন নিউমোনিয়া, সর্দি, কাশি, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে রোগীরা। তবে ঠান্ডাজনিত রোগে শিশু ও বৃদ্ধারা বেশি ভর্তি হচ্ছে এর পাশাপাশি জেলার ৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও বাড়তে শুরু করেছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা।

লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর বাজারের পল্লী চিকিৎসক হাকিম মিয়া বলেন, শীতের তীব্রতা দিন দিন তীব্র হচ্ছে। প্রায় আমাদের কাছে ঠান্ডাজনিত রোগীরা আসছে। শীতের প্রকোপে ঘরে ঘরে নিউমোনিয়া, সর্দি, কাশি, ডায়রিয়া রোগ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে এসব রোগীরা। যতই দিন যাচ্ছে ততই এরোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

হারাটি ইউনিয়নের কাজীর চওড়া গ্রামের দিনমজুর রফিকুল ইসলাম (৪২) বলেন, দিনে গরম ও রাতের বেলায় ঠান্ডা। সকালে কাজে যেতে কষ্ট হয়। কুয়াশায় কোন কিছুই দেখা যায় না। ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডায় ইতিমধ্যে আমার ২ ছেলে-মেয়ের সর্দি, কাশি ধরছে। হাসপাতালে ডাক্তার দেখে ঔষধ নিয়েছি। আমার বাড়ি আশপাশে প্রায় এরোগে ভুগছে মানুষ।

রাজারহাট আবহাওয়া অফিস জানান, শনিবার রাত থেকে রোববার সকাল‌ পর্যন্ত লালমিনরহাটের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ আব্দুল মোকাদ্দেম জানান, হাসপাতালে কয়েকদিন থেকে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, বিশেষ করে ঠান্ডা জনিত রোগে শিশু ও বয়স্করা আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যথাসাধ্য রোগীদের সেবা দিচ্ছে।

স/শাহিন