ঢাকাসোমবার , ৯ মে ২০২২
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

সাধারন সম্পাদক পদে তৃণমূলের পছন্দ যশোদা জীবন

চমক নিউজ বার্তা কক্ষ
মে ৯, ২০২২ ১১:১৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সাধারন সম্পাদক পদে তৃণমূলের পছন্দ যশোদা জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক : তিন দিন পরেই ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন। এ নিয়ে জেলায় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে উৎসবমূখর পরিবেশ বিরাজ করছে। নেতাকর্মীরাও উজ্জীবিত হয়ে উঠছেন নানামুখী তৎপরতায়। পদপ্রত্যাশীরা কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে ব্যাপক দৌড়ঝাপ করছেন।

কে হাসবেন শেষ হাসি। এ নিয়েই জল্পনা কল্পনার যেন শেষ নেই। জেলাবাসীর প্রত্যাশা মানবিক, কর্মীবান্ধব, ত্যাগী ও দলীয় প্রয়োজনে কাজে লাগবে এমন ব্যাক্তিকেই করা হবে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সম্পাদক।

এদিকে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে শোনা যাচ্ছে একডজন পদপ্রত্যাশীর নাম। পদ চেয়ে জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও সড়ক ছাড়াও জেলার বিভিন্ন থানা এলাকার মহাসড়কগুলোতেও তাদের নাম ও ছবি সম্বলিত বড় বড় বিলবোর্ড, ফেস্টুন ও তোড়ণ স্থাপন করে জানান দেয়া হচ্ছে।

প্রতিদিনই নতুন নতুন পোস্টার লাগছে শহরের আনাচেকানাচে-দেয়ালে। অনেকে পছন্দের নেতাদের নামে এসব লাগিয়ে নিজেদের প্রচারও করছেন। জেলার রাজনৈতিক অঙ্গন ছাড়িয়ে চায়ের আড্ডা কিংবা চলতি পথের আলাপেও উঠে আসছে এ প্রসঙ্গ।

সূত্র বলছে, জেলার শীর্ষ দুটি পদে প্রধানমন্ত্রীর মনোনীতদেরই ঠাঁই হবে। এজন্য শেষমুহুর্তে এসে তারা প্রধানমন্ত্রীর গুডবুকে নাম লেখাতে উদগ্রীব।

ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগে শুদ্ধি অভিযানের পর প্রথম অনুষ্ঠিতব্য এ সম্মেলন ঘিরে পুরো জেলা জুড়ে তুনমূল নেতাকর্মীদের মাঝে নতুনভাবে সাড়া জেগেছে। সৃষ্টি হয়েছে নতুন প্রত্যাশার। খন্দকার মোশাররফ হোসেন ফরিদপুর আওয়ামী লীগে যোগদানের পর থেকে আওয়ামী লীগে একটি তৃতীয় শক্তির উত্থান ঘটে। এই তৃতীয় শক্তির কারনেই আওয়ামী লীগের মূল ধারার রাজনীতি থেকে ছিটকে পড়েন দলের দীর্ঘ দিনের পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা। সে কারণে এবারের সম্মেলন ঘিরেও তৈরি হয়েছে নতুন প্রত্যাশার।

ফরিদপুর ঘুরে দেখা গেছে তৃনমূলের নেতাকর্মীদের একটিই প্রশ্ন এবার কি আওয়ামী লীগের কর্মীরা সত্যিকারের একজন কর্মীবান্ধব ত্যাগী নেতা পাবেন না? নাকি পরিবর্তনের নামে আবারও সেই মোশাররফ যুগের নেতাকর্মীরাই খোলস বদল করে দলে ঢুকে পড়বে?

এবারের সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে তিনজন প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। এরা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সুবল চন্দ্র সাহা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিপুল ঘোষ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শামীম হক।

তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে সাধারণ সম্পাদকেরর পদ নিয়ে। এ পদে আলোচনায় রয়েছে একাধিক ব্যাক্তি। এরমধ্যে বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের এক নং যুগ্ম সম্পাদক বেগম ঝর্ণা হাসান, আওয়ামীলীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য ড.যশোদা জীবন দেবনাথ, পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক অমিতাভ বোস, আওয়ামী লীগ নেতা মো. লিয়াকত হোসেনসহ আরো অনেকে। তবে জেলার তৃণমূলের কর্মীদের মুখে মুখে ভাসছে যশোদা জীবন দেবনাথের নাম।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি অবিচল থাকা যশোদা দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। ফরিদপুরে তার বেশী পরিচিতি একজন দানবীর ও সমাজসেবক ব্যাক্তি হিসাবে। এছাড়া তিনি ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের তৃনমুলের নেতাকর্মীদের মাঝে অকাতরে দান করলেও কখনো স্থানীয় রাজনীতির গ্রুপিংয়ে জড়াননি।

দলের কোন্দলে জড়াননি। কখনো টেন্ডারবাজি করেননি, নিজেকে সৎ মানুষ হিসেবে ধরে রাখতে পেরেছেন। ফরিদপুর- ৩ আসনের আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করতে নির্ঘুম কাজ করছেন যশোদা। এছাড়া ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উন্নয়নে নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছেন। যেকোন প্রয়োজনে কর্মীদের কাছে ছুটে যাচ্ছেন। করছেন প্রয়োজনীয় সহযোগীতা। প্রশংসিত হয়েছেন কর্মীবান্ধব নেতা হিসাবে।

এ কারণে সাধারন সম্পাদক পদ প্রত্যাশী অন্যান্য প্রার্থীদের চেয়ে তৃনমুলের নেতাকর্মীদের কাছে যশোদা জীবন অধিক গ্রহনযোগ্য হয়ে উঠেছেন। সম্পাদক পদে যশোদার প্রতিদ্বন্দ্বী অমিতাভ বোস পৌর মেয়র হয়ে দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার সম্পদ গড়েছেন এমন অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে পত্রপত্রিকায় সংবাদও প্রচার হয়েছে। এছাড়া অমিতাভ বোস দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও অভিযোগ রয়েছে, এক সময় তিনি খন্দকার মোশাররফের ছোটভাই বাবরকে গ্রেপ্তার থেকে বাঁচাতে নানা তদবির ও লবিং করার চেষ্টা করছেন।

তৃনমুলের একাধিক কর্মীর সঙ্গে আলাপকালে তারা বলেছেন, যশোদা জীবন দেবনাথ যতটা না রাজনৈতিক নেতা তার চেয়ে বেশী মানবদরদী। তার মত লোক জেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক হলে আওয়ামী লীগ তার মর্যাদা ফিরে পাবে। এছাড়া তিনি একটি শহীদ পরিবারের উত্তরাধিকার। তিনি কখনো বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে আপোষ করবেন না।

স/এষ্