ঢাকামঙ্গলবার , ২১ জুন ২০২২
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

লালমনিরহাটের তিস্তার পানি বিপদসীমা ২৪ সেন্টিমিটার উপর, পানি বন্দী পরিবারেরা চরম দূরভোগে

চমক নিউজ বার্তা কক্ষ
জুন ২১, ২০২২ ৫:১০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

লালমনিরহাটের তিস্তার পানি বিপদসীমা ২৪ সেন্টিমিটার উপর, পানি বন্দী পরিবারেরা চরম দূরভোগে

লাভলু শেখ লালমনিরহাট থেকে।। গত ৩ সপ্তাহের ভারী বর্ষণ আর উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি প্রবাহ বেড়ে বিপৎসীমার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে তিস্তার বাম তীরের লালমনিরহাটের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানি বন্দী হয়েছে প্রায় ১০ হাজার পরিবার। অপরদিকে ধরলার পানি ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২১জুন) বিকেল ৩ টার দিকে দেশের বৃহত্তম সেচপ্রকল্প লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারেজ ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৮৪ সেন্টিমিটার। যা (যা বিপদসীমার ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার) যা বিপৎসীমার ২৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ধরলার পানি সমতল ৩০.৯৪ ( বিপদসীমা ৩১.০৯ মিটার) যা ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পাটগ্রামে ১৭৯ সেন্টিমিটার বিপদসীমার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। বুধবার সকাল ১০ টা থেকে লালমনিরহাটে বৃষ্টিপাত ৫১ মিলিমিটার ছিল।

ব্যারেজ ও নদী তীরবর্তী মানুষ জানান, গত ৩ সপ্তাহ থেকে থেমে থেমে ভারী বর্ষণ আর উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি প্রবাহ বেড়ে যায়। ফলে গত মাসের শুকনো মরুময় তিস্তা ও ধরলা নদীতে পানি ফুলে ফেঁপে উঠেছে।

ফিরে পেয়েছে তিস্তা তার আপন সৌন্দর্য। নৌকা আর মাঝি মাল্লাদের ব্যস্ততা বেড়েছে। জেলেরাও প্রায় ফিরে পেয়েছে তিস্তা ও ধরলার পানি আর মাছ।

পানি বেড়ে যাওয়ার কারণে লালমনিরহাট জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। অতিরিক্ত পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে তিস্তা ব্যারাজের সবগুলো জলকপাট খুলে দিয়েছে ব্যারেজ কর্তৃপক্ষ। ভারতের গজলডোবায় তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় উজানের ঢেউ বেড়ে ডালিয়া পয়েন্টে পানি বেড়েছে বলে জানিয়েছে ব্যারেজ কর্তৃপক্ষ।

নদীপাড়ের মানুষজন জানান, পানি বেড়ে যাওয়ার কারণে জেলার পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম, হাতীবান্ধার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, সিন্দুর্না, পাটিকাপাড়া, সিংগিমারী, কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী,তুষভান্ডার কাকিনা, আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা, পলাশী, সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, রাজপুর, গোকুন্ডা, ইউনিয়নের তিস্তা নদীর তীরবর্তী এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার প্রায় ১০ হাজার পরিবার পানি বন্দী হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) তিস্তা ব্যারেজ ডালিয়া শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী আসফা উদ দৌলা জানান, বৃষ্টি আর উজানের ঢলে তিস্তার পানি প্রবাহ বেড়েছে। সবগুলো জলকপাট খুলে পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এ পয়েন্টে তিস্তার পানি এখনও বিপৎসীমার ২৪সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বৃষ্টির কারণে এ সময় পানি প্রবাহ কমা- বাড়ার মধ্যেই থাকবে। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে জেলার প্রায় ১০ হাজার পরিবার কষ্টের মাঝে জীবন যাপন করছেন, পানি বন্দী পরিবার গুলো। বন্যাকবলীত পরিবারের মাঝে এান সামগ্রী বিতরনের দাবী জানান, এলাকাবাসী।

স/এষ্