মুন্সীগঞ্জে রতনপুর রামপাল সড়কে খানাখন্দে যাতায়াত ভোগান্তি
এম এম রহমান,মুন্সীগঞ্জ: মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নের রতনপুর হতে রামপাল কলেজ এবং কোদায় ধোঁয়া যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে হাজারো মানুষ যাতায়াতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা জানান, রাস্তাটির রতনপুর হতে দেওয়ানবাজার হয়ে রামপাল কলেজ কিংবা কোদাল ধোঁয়া সড়কটিতে খানাখন্দের কারনে যাতায়াত ভোগান্তি বেড়েই চলছে। সংস্কার অভাবে রাস্তাটির রতনপুর, দেওয়ান বাজার, মালিরগাঁও, দেওয়ানবাড়ী মোড় এবং কোদাল ধোঁয়া এলাকায় রাস্তাটিতে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
বিভিন্ন স্থানে রাস্তাটি পার্শবর্তী পুকুরের দিকে ধেবে যাচ্ছে। ঝুঁকি নিয়েই রাস্তাটি দিয়ে অটো, মিশুক, সিএনজিসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল করছে। রাস্তার উপরে থাকা গর্তগুলো মেরামত না করায় রাস্তাটি আরো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তাটির রতনপুর এলাকা থেকে পশ্চিম দিকে যেতেই চোখে পড়ে ব্যাপক খানাখন্দ। দেওয়ানবাজার ব্রিজের ঢালে এবং মালিরগাঁও এলাকায় রাস্তাটি বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে আছে। রাস্তার পিচ উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের।
অতিরিক্ত গাড়ীর চাপে রাস্তাটি আরো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ঝুঁকি নিয়েই যানবাহনগুলোকে যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। বেশ কিছু স্থানে রাস্তার উপর স্থানীয়রা ইটের খোয়া ফেলে রাস্তাটি সচল রাখার চেষ্টা করছেন।
পথচারি রায়হান বলেন, এই রাস্তাটি হলো মুন্সীগঞ্জ শহরে যাতায়াতের শটকার্ট রাস্তা। মুক্তারপুরÑ সিপাহীপাড়া এলাকার যানজটের কারনে টঙ্গীবাড়ী উপজেলাসহ প্রায় ১০টি ইউনিয়নের মানুষ এই রাস্তায় চলাচল করে। রাস্তাটি সংস্কার অভাবে দিনের পর দিন যান চলাচলের অনুপুযোগী হয়ে পড়ছে। দ্রুত সময়ে রাস্তাটি সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি।
অটো চালক আবুল লস্কর বলেন, প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই রাস্তা দিয়ে গাড়ীতে চলাচল করে। ভাঙা রাস্তায় বড় বড় গর্তের কারনে যাতায়াতে ভোগান্তি বেড়েছে। রাস্তাটি সংস্কার করা হলে মানুষের যাতায়াত ভোগান্তি কমে যেতো। খানাখন্দের কারনে গাড়ীতে থাকা যাত্রীরা ঝাঁকুনি খাচ্ছে। গাড়ীরও ক্ষতি হচ্ছে এবং যাত্রী নিয়ে গন্তব্যে পৌছাতে সময় বেশি লাগে।
এলজিইডির মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সুত্র জানায়, বিভিন্ন স্থানে পানি জমার কারনে রাস্তাটিতে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। রাস্তাটি সংস্কার করার জন্য বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। বাজেট প্রাপ্তির পর টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাস্তাটির ক্ষতিগ্রস্ত অংশে সংস্কার কাজ চালু করা হবে।
স/অ

