মুন্সীগঞ্জে বাস থেকে নামিয়ে ব্যবসায়ীর টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট আন্ত:জেলা ডাকাত দলের ৭ আটক
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি।। মুন্সীগঞ্জে আন্ত:জেলা ডাকাত দলের ৭ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গত ২৩ অক্টোবর বিকেলে স্বর্ণ ব্যবসায়ী রামপ্রসাদ হালদার ঢাকার তাঁতি বাজার হতে স্বর্ণ বিক্রির নগদ ৪৭ লক্ষ টাকা এবং অবিক্রিত ০৩ ভরি স্বর্ণ নিয়ে সিরাজদিখান হয়ে নকলি পরিবহনে দোহার বান্দুরা বাজারে যাচ্ছিলেন।
এসময় মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার মরিচা কাউন্টারের সামনে বাসটি থামিয়ে ৫/৬ জনের সংঘবদ্ধ একটি ডাকাত দল নিজেদেরকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে বাস থেকে টেনে হিচরে নামায়। তাকে মারপিট করে ব্যবসায়ীর সঙ্গে থাকা স্কুল ব্যাগ ও বাজারের ব্যাগে থাকা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে দ্রুত মোটর সাইকেল যোগে ডাকাতরা পালিয়ে যায়।
ওই সময়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় হাবিবুর নামের একজন ডাকাতকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী স্বর্ণ ব্যবসায়ী ওইদিন রাতেই সিরাজদিখান থানায় মামলা দায়ের করেন। এই ডাকাতির ঘটনায় তথ্য ও প্রযুক্তির সহযোগিতায় পুলিশ ডাকাতির ঘটনায় সাথে জড়িত ৭ জনকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করেছে।
ডাকাতদের কাছ থেকে ডাকাতি হওয়া নগদ ৭ লক্ষ টাকা, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করে পুলিশ। আটককৃত ডাকাতরা হলেন, রনি (৪৮), সিরাজুল হাসান জাবেদ ওরফে রানা (৪২), শামীম (৪২), সায়মন( ৩২), মমিন (৪২), সুজন (৩০), সমির হোসেন (৪২)। আটককৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে স্বীরারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
লুন্ঠিত স্বর্ণালংকার,বাকী টাকা উদ্ধার এবং আরোও কারো এই ডাকাতির সাথে জড়িত তাদেরকে বিষয়ে তথ্য জানতে আসামীদের বিরুদ্ধে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। পুলিশ আরোও জানান, আটককৃতরা আন্ত:জেলা ডাকাত দলের সদস্য। এরা বিভিন্ন সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে ডাকাতি করিতো।
আটককৃতদের নামে বিভিন্ন থাকায় একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে চলমান আছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে পুলিশ। সংবাদ সম্মেলণে পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার সহ পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তাগন এবং জেলায় কর্মরত বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সংবাদ কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
স/শাহিন

