ঢাকাবুধবার , ২০ এপ্রিল ২০২২
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

মিরকাদিমে কমলাঘাট ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে পানিবাহী গাড়ীর সংকট

চমক নিউজ বার্তা কক্ষ
এপ্রিল ২০, ২০২২ ৭:৫৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মিরকাদিমে কমলাঘাট ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে পানিবাহী গাড়ীর সংকট

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি :মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌর এলাকার কমলাঘাট ফায়ার স্টেশনে পানিবাহী গাড়ীর সংকট এবং পানির প্রাকৃতিক উৎসগুলো কমে যাওয়াতে অগ্নি দুর্ঘটনা মোকাবেলায় বিঘ্ন ঘটছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

তারা জানান, মিরকাদিম পৌর এলাকার পানি নিস্কাশনের খাল ও ডোবাগুলো ভরাট হয়ে গেছে। এতে করে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় আগুন নিভানোর প্রয়োজনীয় পানি পাচ্ছেনা ফায়ার সার্ভিস কর্মিরা। এতে করে অগ্নি কান্ডের ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমান বেড়ে যাচ্ছে বলেও জানিয়েছেন স্থানীয়রা বাসিন্দারা।

জানাগেছে, ধলেশ্বরী, ইছামতি নদীর তীরবর্তী মিরকাদিম পৌর এলাকায় রয়েছে কমলাঘাট বানিজ্য বন্দর। ১০.৩২ বর্গ কিমি আয়োতনের এই পৌরসভায় ওয়ার্ড সংখ্যা – ০৯, জনসংখ্যাঃ প্রায় ৫৬, ০৯৬ । পৌর এলাকার প্রতিটি এলাকায় গড়ে উঠেছে ছোট বড় শিল্প কারখানা,কাঠের ব্যবসা, গুদাম, মার্কেট ও বসতি মিলিয়ে লাখ লাখ স্থাপনা ও বসতবাড়ী।

অধিকাংশ এলাকার স্থাপনা অতিমাত্রায় অগ্নি-দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে রয়েছে। কারন সেখানে অগ্নি কান্ডের ঘটনার সুত্রপাত হলে সেটা নির্বাপনের পর্যাপ্ত পানির কোন উৎস নেই। কোন কোন ওয়ার্ডে যোগাযোগ ব্যবস্থা কিংবা চলাচলের সড়কগুলো এতোটাই সরু ও সংকীর্ণ যে ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনির্বাপক গাড়ি ও দমকল কর্মীরা দুর্ঘটনাস্থলের কাছাকাছি পৌঁছানো এক প্রকার অসম্ভব।

পৌর এলার অধিকাংশ ডোবা, পুকুর , সরকারি টেঙ্গর খাল, নয়নের খাল , রিকাবিবাজার খালসহ পানি নিস্কাশনের মাধ্যমগুলো দখল -দূষণের ভরাট হয়ে গেছে। এছাড়াও প্রতিটা এলাকায় থাকা ডোবাগুলো ভরাট হয়ে গেছে। খালগুলোও দখল দূষণের অস্থিত্ব হারিয়ে ফেলছে।

খাল আর ডোবাগুলো ময়লা ফেলে ভরাট করা হয়েছে। নির্মাণ করা হয়েছে খালের উপর বিভিন্ন স্থাপনা। এতে করে মিরকাদিম পৌর এলাকার পানির উৎস কমে গেছে। ফলে অগ্নি কান্ডের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মিরা আগুন নিভাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন প্রয়োজনীয় পানির উৎসের অভাবে।

সম্প্রতি রিকাবিবাজারে দুইবার অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এসময় যদি প্রাকৃতিক পানির উৎসগুলোতে ফায়ার সার্ভিস কর্মিরা পর্যাপ্ত পানি পেতো তাহলে মানুষের সম্পদের ক্ষতির পরিমান কমে আসতো।

স্থাণীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা হলে তারা অভিযোগ করে বলেন,কমলাঘাট বন্দরে ফায়ার সার্ভিসে পানিবাহী কোন গাড়ী নেই। এখানে দ্রুত সময়ে পানিবাহী গাড়ীর ব্যবস্থা করা দরকার। পানিবাহী গাড়ী দিয়ে আগুন নিভানোর পাশাপাশি প্রাকৃতিক পানির উৎসগুলোতেও পাম্পবাহী গাড়ীটি অগ্নি নির্বাপণে ব্যবহারের সুবিধা পেতো দমকলকর্মিরা।

মিরকাদিম এলাকায় পানির উৎস কমে যাওয়াতে অগ্নি নির্বাপণে কমলাঘাট বন্দরের ফায়ার সার্ভিসের কর্মিদেরকে বেগ পেতে হয়। মিরকাদিমে পৌর এলাকায় কোন অগ্নিকান্ডের ঘটনার সুত্রপাত হয় তাৎক্ষনিক কমলাঘাট বন্দরের ফায়ার সার্ভিসের দমকল কর্মিরা দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।

তাদের পানিবাহিত কোন গাড়ী নেই। তাদের গাড়ীটি পাম্প সিস্টেম হওয়াতে পাইপের মাধ্যমে তাদেরকে দূরবর্তী স্থান থেকে পানির উৎস খুঁজে পানি আনতে হচ্ছে। এলাকার ডোবা এবং খালগুলোতে পানি থাকলে অগ্নিকান্ডে এতোটা ক্ষয় ক্ষতি হতো।

নির্বিচারে জলাশয় ভরাটের কারণে পানির উৎস কমে যাওয়ায় অগ্নি নির্বাপণে পানি সঙ্কট সর্বত্র। তারা আরো জানান, জলাশয়গুলো ভরাট হয়ে যাওয়ার কারনে একদিকে পানি নিস্কাশন সুবিধা থেকে বঞ্চিত পৌরবাসী। পৌর এলাকার জলাশয়গুলো অবমুক্ত থাকলে অগ্নিকান্ড নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হতো না ফায়ার সার্ভিস কর্মিদেরকে।

কমলাঘাট নদী বন্দরের ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. শরীফ আহম্মেদ কবির বলেন, পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, বসতি ও বানিজ্যিক এলাকায় পানির উৎসগুলো কমে গেছে। এতে করে দুর্ঘটনা মোকাবেলায় বিঘ্ন ঘটছে। পানির উৎসগুলো সচল থাকলে অগ্নি কান্ড এবং ক্ষয়- ক্ষতির পরিমান কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

স/এষ্