ঢাকাবুধবার , ২১ আগস্ট ২০১৯
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

বসুন্দিয়ায় পূরণ হতে যাচ্ছে বহু কাঙ্খিত দাবী

nayem ahmed
আগস্ট ২১, ২০১৯ ৩:১৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সাঈদ ইবনে হানিফ : যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়ন জেলা শহর থেকে ২০ কিঃ মিঃ পূর্বে অবস্থিত এই ইউনিয়নের চির অবহেলিত একটি গ্রামের নাম ঘুনী।

বিটিশ ভারত পাকিস্তান অতপরঃ বাংলাদেশ এই তৃদেশীয় যুগেই বৃহৎ জনগোষ্ঠীর এই গ্রামটি রয়েছে অবহেলিত। স্বাধীন বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকার ক্ষনে ক্ষনে উন্নয়নের প্রতশ্রিুতি দিলেও গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের তেমন কোন ছোয়া লাগেনি গ্রামটিতে।

বর্তমানে গ্রামটিতে শতভাগ বিদ্যুতায়ন হলেও শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে রাস্তা ঘাটে উন্নয়নে তেমন কোন অগ্রগতি হয়নি। সেই দীর্ঘকাল থেকে এই অঞ্চলের মানুষের প্রাণের দাবী ছিলো আধুনিক যুগের সাথে তালমিলাতে অন্যান্য উন্নয়নের অগ্রগতির সাথে সাথে এই অঞ্চলের আপামর জনসাধারণের যাতায়েতের সুবিধার্থে ঘুনী দোলনঘাটা থেকে ঘুনী বাজার হয়ে মথুরাপুর পর্যন্ত রাস্তা পাকা করা হোক।

পূর্ব-পশ্চিম অতিবাহিত এই রাস্তার দুই ধারে রয়েছে হাজার হাজার জনবসতি। সরকারি – বেসরকারী বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার আরো রয়েছে বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম মন্ত্রনালয়ের অধিনস্ত ইসলামিক মিশন ও ফাউন্ডেশন।

এই রাস্তাটি পাকা করা হলে এই অঞ্চলের মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সাংস্কৃতিক ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে আধুনিক সুযোগ সুবিধা পাবে বলে তাদের আশাবাদ।

কিন্তু বরাবরই তাদের দাবী হয়েছে উপেক্ষিত। এমতাবস্থায় বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাননীয় প্রধান মন্ত্রী গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করে।

যার ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসরত মানুষ গুলো স্বপ্ন দেখে আধুনিক সুবিধা ভোগ করার। সংশ্লিষ্ঠ তথ্যে জানা যায় সম্প্রতি প্রধান মন্ত্রীর এই গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে ঘুনী দোলনঘাটা থেকে মধুরাপুর পর্যন্ত ৪ কিঃমিঃ রাস্তা পাকা করণের উদ্দেশ্যে ইতি মধ্যে সব রকম প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

ফলে দ্রুতই রাস্তার পাকা করণের কাজ শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় ইউ.পি সদস্য ফারুক হোসেন জানান এই এলাকার জনসাধারণের অভিযোগ ছিল দেশের অন্যান্য এলাকায় বর্তমান সরকার প্রতশ্রিুতি গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়নের আওতায় পাকা রাস্তা নির্মান করা হলেও অত্র এলাকায় এই প্রকল্পের অধীনে কোন রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন হয়নি।

ফলে ব্যবসা বাণিজ্য, শিক্ষা, সাংস্কৃতির সকল দিক থেকেই পিছিয়ে পড়েছিল এই এলাকার জনসাধারণ। প্রাচীন ইতিহাস ঐতিহ্যর অনেক নির্দাশন রয়েছে এই গ্রামের আনাচে কানাছে। বৃহত জনগোষ্ঠীর গ্রামটিতে বসবাস করে মুসলমান এবং হিন্দু। গ্রামটিতে সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে প্রাচীন কাল থেকে বসবাস করে আসছেন মুসলিম সম্প্রদায়।

যার প্রভাবে এই গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৩টি মসজিদ এবং ৩টি ঈদগাঁ। প্রাচীন কাল থেকে এই গ্রামের অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী যুগে যুগে বঞ্চিত হয়েছে আধুনিক সুবিধা থেকে। বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়িত হলে গ্রামীন জনগোষ্ঠী আধুনিক সুযোগ সুবিধা ভোগ করবে।

 

স/এন