ঢাকামঙ্গলবার , ১৯ জুলাই ২০২২
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে প্রতিবন্ধি শিশুকে হত্যা, চাচাসহ ২ জনের যাবজ্জীবন

চমক নিউজ বার্তা কক্ষ
জুলাই ১৯, ২০২২ ৯:১১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে প্রতিবন্ধি শিশুকে হত্যা, চাচাসহ ২ জনের যাবজ্জীবন

আবু মুছা, বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: বেলকুচিতে প্রতিবন্ধি শিশুকে হত্যার দায়ে চাচাসহ ২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায় আরও ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ডাদেশ প্রদান করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফজলে খোদা নাজির মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ রায় প্রদান করেন।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বেলকুচি উপজলার সদর ইউনিয়নের ছোট বেড়াখারুয়া গ্রামের নিহত শিশুর চাচা সাদ্দাম হোসেন (৩৩) ও একই গ্রামের আমজাদ আলীর ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য আকবর আলী (৪৪)।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের স্টেনোগ্রাফার রাশেদুল ইসলাম এতথ্য নিশ্চিত করেছেন। মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বেলকুচি উপজলার সদর ইউনিয়নের ছোট বেড়াখারুয়া গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের পরিবারের সাথে তার চাচাতো ভাইদের সাথে জমি সংক্রন্ত বিরোধ চলে আসছিল। সাদ্দাম হোসেন চাচাতো ভাইদের শায়েস্তা করার জন্য আপন বড় ভাইয়ের বাক প্রতিবন্ধি শিশু কন্যা চায়না খাতুনকে (১১) হত্যার পরিকল্পনা করে। তার এ কাজে সহযোগিতা করেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আকবর আলী। ২০১৭ সালের ২৫ ডিসেম্বর বিকালে চায়না খাতুন সাদ্দাম হোসেনের বাড়িতে বেড়াতে আসে। রাতের খাবার শেষে চায়না ঘুমিয়ে পড়ে। রাতে সাদ্দাম হোসেন চায়না খাতুনকে ঘুমন্ত অবস্থায় বাড়ির বাইরে এনে গলা টিপে হত্যা করে। পরে লাশ বেড়া খারুয়া চরে নিয়ে এসে মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য চাকু দিয়ে চায়না খাতুনের গলা কেটে লাশ ফেলে রেখে চলে যান।

পরের দিন সকালে বেড়াখারুয়ার চরে চায়না খাতুনের লাশ পড়ে থাকতে দেখে পায় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে চায়না খাতুনের পিতা জহুরুল প্রামানিক ঘটনাস্থল এসে জমি নিয়ে বিরোধে তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। পরে প্রতিপক্ষ চাচাতো ভাইদের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে জমি নিয়ে বিরোধের কারনে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য সাদ্দাম হোসেন ইউপি সদস্য আকবর আলীর প্ররোচনায় আপন ভাতিজী চায়না খাতুনকে হত্যা করেন। পরে পুলিশ সাদ্দাম হোসেন ও আকবর আলীকে গ্রেফতার করে। তারা দুজনের হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্ধি প্রদান করেন। মামলায় ১২ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে আদালত মঙ্গলবার এ রায় প্রদান করেন।

স/এষ্