তারাকান্দার চংনাপাড়া বাজারে ড্রাইবেশনের জন্য ৩০/৪০ হাজার মানুষ পানিবন্ধি
তারাকান্দা ( ময়মনসিংহ )প্রতিনিধিঃ হাজারো হেক্টর জমির ফসল নষ্ট। হাজারো মানুষের দূর্ভোগ। প্রসাশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও, প্রসাশনের বেখবর। একটি ড্রাইবেশনের কারনে লক্ষ মানুষের দূর্ভোগ চরম আকার ধারন করেছে।
ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় ১০ টি ইউনিয়নের মাঝে অতিগুরোত্বপূর্ণ রাস্তা হচ্ছে তারাকান্দা টু রাজদারিকেল রাস্তা আর তার আরোও একটি রাস্তা হচ্ছে ভূয়াগঞ্জ হয়ে চংনাপাড়া বাজার ভায়া রাজধারিকেল বাজার হয়ে পূর্বধলার দিকে গিয়েছে সেই রাস্তা। যে রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষর জীবিকার কাজে পথচলতে হয় সাধারণ মানুষের।

৯নং কামারগাও ইউনিয়নের চংনাপাড়া বাজার ভায়া রাজধারিকেল যাওয়ার একমাত্র রাস্তা মাত্র একটি। এই রাস্তার ভয়ংকর নদীই হলো রাংশা নদী। যে নদীর পাশ দিয়ে বিস্তৃত রয়েছে কয়েক হাজার হেক্টর জমি। যে জমির উপর ভরসা করে ৭/৮টি গ্রামের কৃষক। বেচে থাকে হাজারও স্বপ্ন নিয়ে। চংনাপাড়া বাজার ভায়া রাজধারিকেল যাওয়ার পথে চংনাপাড়া বাজার ব্রিজটির গুরুত্ব স্থানীয় লোকদের মাঝে বাচা মরার মত। তবুও নেই কোন ধরনের পদক্ষেপ। অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে এই ব্রিজের কাজটি হচ্ছে না আজও। শুধু বাধ দিয়ে এ বছরের বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।
তারাকান্দা সদর, গালাগাও, ঢাকুয়া, কাকনিসহ ৮টি ইউনিয়নে এ ক্ষতি হয়। বন্যার পানিতে আমন বা বাওয়া ধানের চারা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছেন এসব ইউনিয়নের কৃষকেরা।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মোট ২২ হাজার ৪শত ৬০ হেক্টর জমির মাঝে কয়েক হাজার হেক্টর জমির ক্ষতি হচ্ছে শুধু মাত্র এই একটি ড্রাইবেশেনের কারনে। জলবদ্ধতার কারনে কয়েক হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।গাবরগাতী গ্রামের কৃষক মো.হাসিম উদ্দিন জানান, এ বছর পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় তাঁরা ভাদ্র মাসে ধানের চারা রোপণ করেন। তাঁদের ধারণা ছিল এ বছর বন্যা হবে না। গালাগাও ইউনিয়নের খানবাড়ী গ্রামের কৃষক মোতালেব মিয়া বলেন, ‘ভাদ্র মাসে চারা রোপণের পর থেকেই বাধের কারণে ভয়টা করছিলাম। বাধের কারনে আমার প্রায় ৫ বিঘা আমন ধান নষ্ট হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ বলেন, ‘জলবদ্ধতার কারনে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রতিবেদন এবং প্রণোদনার জন্য তাঁদের চাহিদা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। শিগগিরই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে সহায়তা দিতে পারব। উপজেলা নির্বাহীকর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা বলেন, দ্রুত বেবস্থা গ্রহন করছি।

