ঢাকারবিবার , ২৯ অক্টোবর ২০২৩
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

টানা তিন দিন অবরোধের ডাক দিল বিএনপি, সংঘর্ষে নিহত ৪, গ্রেপ্তার ৯৬০, আহত ৩০০০

চমক নিউজ বার্তা কক্ষ
অক্টোবর ২৯, ২০২৩ ৯:০৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

টানা তিন দিন অবরোধের ডাক দিল বিএনপি, সংঘর্ষে নিহত ৪, গ্রেপ্তার ৯৬০, আহত ৩০০০

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ।।  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগসহ এক দফা দাবিতে টানা ৩ দিনের সারাদেশে সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

রেলপথ, নৌপথ, রাজপথ সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে জানিয়েছেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যায় হরতাল শেষে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন রিজভী। তিনি বলেন, সারাদেশে আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মী কারাগারে বন্দি। অনেকেই গুম খুন হয়েছেন। আমাদের নেত্রী, গণতন্ত্রের মাতা বেগম খালেদা জিয়া মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। বিদেশে তাকে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ দিচ্ছে না।

তাকে সুচিকিৎসা বঞ্চিত করা হয়েছে। তার মুক্তির জন্য, দেশের সীমাহীন বঞ্চনা, অব্যাহত দুর্নীতি লুটপাট, ২৮শে অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশে হামলা, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গ্রেপ্তার, নেতাকর্মীদের বাসা-বাড়িতে তল্লাশির নামে ভাঙচুরের প্রতিবাদে ৩১শে অক্টোবর, ১ ও ২রা নভেম্বর দেশব্যাপী সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে।

রেলপথ, নৌপথ, রাজপথ সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম ও সহ অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি, জামায়াত, সমমনা দল ও জোটের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতালকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী জেলায় জেলায় সংঘর্ষ, বাধা এবং হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আর মহাসমাবেশ ও হরতালকে কেন্দ্র করে দুদিনে সাংবাদিকসহ ৪ জন নিহত, ৩০০০ জনের অধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

এছাড়া ২০টি মামলায় ৯৬০ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। এরমধ্যে মহাসমাবেশকে ঘিরে সহিংসতার সময় পুলিশের টিয়ার গ্যাসে আহত বিএফইউজে’র সাবেক নির্বাহী সদস্য ও জাতীয় প্রেসক্লাবে সদস্য রফিক ভূইয়া মারা গেছেন, রোববার লালমনিরহাটে আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপি’র সংঘর্ষে জাহাঙ্গীর হোসেন (৪৫) নামে স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতা নিহত হয়েছেন এবং মিছিল শেষে ফেরার পথে রাজধানীতে বিএনপি নেতা মো. আবদুর রশিদকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।

ওদিকে ফরিদপুরে পুলিশের অভিযানের সময় বিএনপি নেতার স্ত্রী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। হরতালকে কেন্দ্র করে ঢাকায় বিএনপির সিনিয়র নেতাদের বাসায় বাসায় অভিযানও চালিয়েছে পুলিশ। শনিবার মহাসমাবেশে সংঘর্ষের পর ভোর রাত থেকে বিএনপি’র শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তারে বাসায় বাসায় অভিযান চলানো হয়।

সকাল সাড়ে ৯টায় গুলশানের বাসভবন থেকে আটক করা হয় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। হরতালকে কেন্দ্র করে সিলেট, বগুড়া, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ এবং কিশোরগঞ্জে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে বগুড়ায় পুলিশের গুলিতে একটি শিশু আহত হয়। এছাড়া হরতাল সমর্থকদের মিছিলে টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও ফাঁকা গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে।

সিনিয়র নেতাদের গ্রেপ্তারে দিনভর পুলিশের অভিযান
মহাসমাবেশে সংঘর্ষের পর শনিবার রাত থেকেই রোববার দিনভর বিএনপির সিনিয়র নেতাদের গ্রেপ্তারে বাসায় বাসায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। অনেক নেতাকে না পেয়ে তাদের স্বজন, ব্যক্তিগত সহকারী ও অফিসের স্টাফকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। গতকাল সকাল সাড়ে ৮টায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গুলশানের ভাড়া বাসায় অভিযান চালায় শতাধিক ডিবি পুলিশ। সাড়ে ৯টার দিকে বিএনপি মহাসচিবকে আটক করে নিয়ে যায়।

ভোর ৪টায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে আটক করার জন্য তার শাহজাহানপুরের বাসায় অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। দীর্ঘ সময় তার বাসার সামনে অবস্থান করে তারা। মির্জা আব্বাসকে না পেয়ে ফিরে যান তারা। ওদিকে ভোর ৫টার সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বনানীর বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। আমির খসরু বাসায় না থাকায় ফিরে যায় পুলিশ।

এদিকে সকালে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের ছেলের লালমাটিয়ার বাসায় তল্লাশি চালায় ডিবি পুলিশ। আলালকে না পেয়ে বাসার প্রতিটি রুম তল্লাশি চালায় তারা। এরপর দুপুর পৌনে ১২টার দিকে তার বনানীর বাসায় যায় ডিবি পুলিশ।

দুপুর ১২টার দিকে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল জানান, লালমাটিয়ার পর তার বনানীর বাসায় ১৪/১৫ জন ডিবি পুলিশ তল্লাশি চালিয়েছে। প্রতিটি রুম তছনছ করা হচ্ছে। তাকে না পেয়ে ব্যক্তিগত সহকারী জাহাঙ্গীর আলম হাওলাদার ও গাড়িচালক সানাউল্লাহকে তুলে নিয়ে যায়।

এছাড়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহবায়ক আব্দুস সালামের শান্তিনগরের বাসভবন, ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হকের পল্লবীর বাসভবন এবং যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর বাসভবনে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। আমিনুল হকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও অভিযান চালানো হয়। সেখানে আমিনুলকে না পেয়ে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের স্টাফ রিপনকে আটক করে নিয়ে যায় ডিবি পুলিশ।

সকালে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আওয়াল মিন্টুর বাসভবনে অভিযান চালায় পুলিশ। মিন্টুকে না পেয়ে তার ছোট ছেলে তাজওয়ার আওয়ালকে তুলে নিয়ে যায়। দুপুরের দিকে তাজওয়ারকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। বেলা ১১টার দিকে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের গুলশানের অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ।

তারা ইশরাকের বাসায় ঢুকে প্রতিটি রুমে তল্লাশি চালায়। এসময় ইশরাককে না পেয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার সময় তার ছোট ভাই প্রয়াত মেয়র সাদেক হোসেন খোকার কনিষ্ঠ পুত্র ইশফাক হোসেন এবং গাড়িচালক রাজিবকে আটক করে নিয়ে যান। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের ব্যক্তিগত সহকারী আরিফ হোসেন।

হরতালের সমর্থনে মিছিল
বিএনপির ডাকা হরতালে রাজধানীসহ সারাদেশের বিভিন্ন এলাকায় মিছিল বের করে দলের নেতাকর্মীরা। এসময় তারা হরতালের সমর্থনে স্লোগানের পাশাপাশি পিকেটিং করে।

মহাসমাবেশে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হামলা, গুলিবর্ষণ এবং বহু নেতাকর্মীকে আটক ও আহত করার প্রতিবাদে রোববার সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা এ হরতাল কর্মসূচি পালন করেন বিএনপি।

রাজধানীর শান্তিনগর মোড় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা, যা আশেপাশের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে নেতৃত্ব দেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। অন্যদের মধ্যে বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, অর্থ বিষয়ক সহসম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

নেতাকর্মীরা সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন এবং বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

এ ছাড়া সকালে হরতালের সমর্থনে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ভুইগড় থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

মিছিলে আরও অংশ নেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, বিএনপির অর্থবিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন, দিনাজপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার আবিদুল হক, নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি, নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন সালু, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের রহমান জিকু এছাড়া হরতালের সমর্থনে রোববার সকালে রাজধানীর মহাখালীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নেতাকর্মীরা। এতে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার। এসময় অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তারা সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন এবং বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

এছাড়াও রাজধানীর উত্তরায় হরতালের সমর্থনে যুবদল মহানগর উত্তরের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। রোববার বেলা ১১টার দিকে মিছিলে নেতৃত্ব দেন যুবদল উত্তরের আহ্বায়ক শরিফ উদ্দিন জুয়েল।

ঢাকা যমুনা ফিউচার পার্ক থেকে শুরু করে গুলশান লিংক রোড পর্যন্তত হরতালের সমর্থনে বিক্ষোভ করেন বিএনপি নেতারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রুহুল কবির রিজভী , ডা. রফিকুল ইসলাম, মাহমুদুর রহমান সুমন, যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক শরিক উদ্দিন জুয়েল প্রমুখ।

এসময় রিজভী বলেন, অন্যায়ভাবে বিএনপির শান্তিপূর্ন মহাসমাবেশ পন্ড, পুলিশ হত্যা সরকারের নীলনকশার অংশ।

যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দীন টুকু বলেন, এই সরকারের পতনের মধ্যে দিয়ে যুবদল নেতা শামীম মোল্লা সহ সকল নেতা-কর্মীদের গুম, খুনের বিচার এই বাংলার মাটিতেই হবে।

নেতাকর্মীরা সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন এবং বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

সকালে রাজধানীর দৈনিক বাংলা মোড়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাতীয়তাবাদী যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণ। দৈনিক বাংলা মোড় থেকে মিছিল শুরু হওয়া মিছিলের নেতৃত্ব দেন যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ১ নং সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম নয়ন, যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহবায়ক খন্দকার এনামুল হক এনাম ও সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম নয়ন। আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক এম এ গাফফার এবং মতিঝিল, সবুজবাগ, খিলগাঁও, শাজাহানপুর, পল্টন শাহবাগ, রমনা থানা যুবদলের নেতৃবৃন্দ।

মিছিলটি দৈনিক বাংলা মোড় থেকে শুরু হয়ে ফকিরাপুল মোর ঘুরে হোটেলের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ করা হয়। এসময় নেতাকর্মীরা সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন এবং বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

নয়াপল্টনে পুলিশ ছিল সতর্ক অবস্থানে
সকাল থেকেই রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সতর্ক অবস্থানে ছিলো পুলিশ। হরতাল কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সকালে নয়াপল্টনে তাদেরকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়। পাশাপাশি সাদা পোশাকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সদস্যদের মোতায়েন করা হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নয়াপল্টনে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ‘ক্রাইম সিন’ উল্লেখ করে কর্ডন টেপ দিয়ে মুড়িয়ে দিয়েছে সিআইডি। এর দুই পারে দাঁড়িয়ে পুলিশ।

এর ফলে নেতাকর্মীরা কার্যালয়ের ভিতরে প্রবেশ করতে পারবেন না। এদিকে বিএনপি’র কার্যালয়ের সামনেসহ নয়াপল্টনের বিভিন্ন অলি-গলিতে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলে পুলিশ।

এরপরে নয়াপল্টন থেকে দুই শিক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ। আটকদের নাম আরমান ও সজীব। সকালে এ ঘটনা ঘটে। তবে আটকদের দাবি তারা সাধারণ শিক্ষার্থী এবং বাজার করতে বাসা থেকে বের হয়েছেন। অন্যদিকে পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, জিজ্ঞাসাবাদের পর সাধারণ শিক্ষার্থী মনে হলে ছেড়ে দিতে পারি।

এদিকে হরতালে রাজধানীতে তিন জাগায় তিনটি বাসে আগুন দেয়া হয়েছে। রাজধানীর মোহাম্মদপুর, তাঁতিবাজার ও বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট এলাকায় তিনটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত এসব বাসে আগুন দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। এতে কোনো হতাহতের খবর জানা যায়নি।

এছাড়া রাজধানী পৃথক পৃথকভাবে হরতাল পালন করেছে বিএনপি, জামায়াত, সমমনা দল ও জোটগুলো। তারা রাজধানীতে পৃথক পৃথকভাবে হরতাল সমর্থনে মিছিল করেছেন।

বিএনপি নেতাকে ছাদ থেকে ফেলে হত্যার অভিযোগ
মোহাম্মদপুরে টাউনহল আব্দুর রশিদ (৩৫) নামের এক বিএনপি নেতাকে ছাদ থেকে ফেলে হত্যার অভিযোগে পাওয়া গেছে । ঢাকা মহানগর বিএনপির উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হক এ অভিযোগ করেন। আব্দুর রশিদ আদাবর থানার সাবেক যুবদল নেতা বর্তমান আদাবর থানা বিএনপির অন্তর্ভুক্ত ৩০ নং ওয়ার্ড বিএনপির স্হানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন ।

স/এষ্