ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৯ আগস্ট ২০১৯
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

ঝালকাঠি হিসাবরক্ষণ অফিসের পরিদর্শক সালামের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

nayem ahmed
আগস্ট ২৯, ২০১৯ ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ- ঝালকাঠি জেলা হিসাব রক্ষণ অফিসের পরিদর্শক আঃ সালামের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। আসমা সিদ্দিকা নামে এক স্কুল শিক্ষক বরিশাল বিভাগীয় হিসাবরক্ষণ অফিসার বরাবরে এ অভিযোগ করেন।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রক মির্জা তারেক আলী ও বিভাগীয় ডেপুটি হিসাব নিয়ন্ত্রক ¯েœহাংশু কুমার সাহা মঙ্গলবার ঝালকাঠিতে তদন্ত করেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মোঃ শহিদুল ইসলাম ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর মৃত্যু বরণ করেন। তার পিতা দক্ষিণ খালিশপুর হালদারপাড়া এলাকার হাফেজ মাওলানা মোঃ সিদ্দিকুর রহমান পেনশনের সকল কাগজপত্র কাস্টমস কমিশনার দ্বারা স্বাক্ষর করিয়ে আনেন।

ঝালকাঠি হিসাব রক্ষণ অফিসের অডিটর (পরিদর্শক) আঃ সালামের কাছে নিলে তিনি বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপন করতে থাকেন। পেনশন কাজ সমাপ্ত করার জন্য বারবার অনুরোধ জানালে তিনি আমাদের কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবী করেন।

টাকা ছাড়া পেনশনের টাকা উত্তোলনের কাজ সমাপ্ত করা যাবে না বলে জানিয়ে দেন। বাধ্য হয়ে একপর্যায়ে তাকে ২৫ হাজার টাকা দিলে কাজটি সমাপ্ত করেন।

খুলনা ডিভিশনাল কন্ট্রোলারের কাছে প্রেরণ করতে বাকি ২৫ টাকা দেবার জন্য চাপ দিতে থাকেন। পুত্রহারা পিতার পেনশনের কাজটি খুলনা বিভাগীয় অফিসে যাতে পৌছে এর বিনীত আবেদন জানানো হয় অভিযোগে জানাগেছে,অভিযোগকারী আসমা সিদ্দিকা সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।

তদন্ত কমিটি ঝালকাঠিতে পরিদর্শনে আসার পূর্বে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মাধ্যমে অভিযোগ প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেয়া হয়। চাকরীতে সমস্যার কথা বলেও হুমকি দেয়া হয় তাকে।

এজন্য তিনি তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে তার অভিযোগ প্রত্যাহারপত্রে স্বাক্ষর করেন। এব্যাপারে আসমা সিদ্দিকা জানান, আমার ভাই মোঃ শহিদুল ইসলাম কাস্টমসে চাকরী করতেন। চাকুরীকালীন অবস্থায়ই তিনি মারা যান।

তার পেনশনের টাকা উত্তোলনের জন্য বৃদ্ধ পিতার একার পক্ষে সম্ভব নয় বিধায় আমি তাকে সহায়তা করছি। তখন আমি সালাম সাহেবের কাছ থেকে অসহযোগিতা পেয়েছি। তিনি সাড়ে ৪লাখ টাকা উত্তোলনে উৎকোচ বাবদ ৫০ হাজার টাকা দাবী করেন।

২৫ হাজার টাকা দেয়ার পর কাজ শেষ করলেও বাকি টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন। এজন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছি, যাতে একটা ব্যবস্থা হয়। অভিযোগ প্রত্যাহারের বিষয়ে তিনি বলেন, আমার ইচ্ছা ছিলো উনি (সালাম) যে অপকর্ম করে তা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা এবং জবাবের মুখোমুখি করা।

যহেতু উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তদন্তে ঝালকাঠিতে আসেন এবং তাকে জবাবের মুখোমুখি করা হয় এজন্য প্রত্যাহার করেছি। শাস্তিমূলক ব্যবস্থার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের হেল্পলাইন ১০৬ নম্বরেও কল দিতে পারতাম। অভিযুক্ত আঃ সালাম জানান, আমি এসবের বিষয়ে কিছুই জানি না।

অভিযোগ করেছে, স্যারেরা তদন্তে আসছিলেন। আমি তাদের কাছেও কিছু জানি না এবং উদ্দেশ্যমূলক অভিযোগ দেয়া হয়েছে বলে বক্তব্য দিয়েছি। বিভাগীয় ডেপুটি হিসাব নিয়ন্ত্রক ¯েœহাংশু কুমার সাহা জানান, আমরা ঝালকাঠিতে তদন্তে গেছিলাম একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে।

যেহেতু অভিযোগকারী তার অভিযোগ প্রত্যাহার করেছেন। তারপরেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ১০ দিনের মধ্যে পেনশন কাজ সমাপ্ত করা না হলে এবং এ ক্ষেত্রে তার সংশ্লিষ্টতা থাকলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

স/এন