গৌরীপুরে দুইপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত-৩
বাড়ী-ঘরে অগ্নি সংযোগ, লুটপাট
ময়মনসিংহ ব্যুরো- ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার মাওহা ইউনিয়নের খলতবাড়ি গ্রামে দুইপক্ষের সংঘর্ষে একজন মারা গেছেন। এঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিন জন। নিহত ব্যক্তি একই গ্রামের মৃত ইসমাঈল হোসেনের ছেলে সাহেব আলী (৪৫), তিনি একজন বর্গাচাষি। আহতরা হলেন- রাজিব (২২), এবাদুর (২৩) ও সাহেদ আলী (৩৫), তাদের অবস্থা আশংকাজনক। তাঁরা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
সাহেব আলীর মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত লোকজন এদিন গভীর রাতে অভিযুক্তদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করে। এতে ৫-৬ বাড়িঘর পুড়ে যায়।
এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, খলতবাড়ি গ্রামের সাহেব আলী গং ও বাবুল গংদের মাঝে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলে আসছে। শনিবার বিকালে জমির পাশে মাটি ফেলাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। এসময় বাবুল গংয়ের লোকজন দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সাহেব আলীর লোকজনের উপর হামলা চালায়। এতে সাহেব আলী, রাজিব, এবাদুর ও সাহেদ আলী গুরুতর আহত হন।
এলাকাবাসী তাদের উদ্ধার করে গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে সাহেব আলীর অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় রেফার করা হয়। নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মারা যান।
নিহত সাহেব আলীর ভাতিজা আলম জানান- জমির পাশে মাটি ফেলাকে কেন্দ্র করে শনিবার বিকালে তার চাচা সাহেব আলী ও বাবুলের মাঝে প্রথমে বাকবিতন্ডা হয়। পরে বাবুল, সারোয়ার হোসেন, হাবিবুর রহমান, পারভেজ, হুমায়ুন কবির, শিমুল, শাকিলসহ আরও অনেকে রাম দা, কিরিচ, রড, দা, কুড়াল নিয়ে আমাদের উপর হামলা করে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন- ঘটনার পর পরই পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থলে এখনো পুলিশ অবস্থান করছে। অভিযুক্তদের আটকের চেষ্টা চলছে।
স/বি

