গৌরীপুরে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর চাল ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ডিলার শিপনের বিরুদ্ধে
ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রধান শেখ বিপ্লব-ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার সহনাটি ইউনিয়নের অতিদরিদ্রের জন্য খাদ্যবান্ধব কর্মসুচীর ডিলার মিলন মিয়া শিপনের বিরুদ্ধে মাপে কম দেয়ার অভিযোগ তুলেছে সুবিধাভোগীরা। ৬৭২ জন কার্ডধারীর মাঝে ৩০ কেজি করে চাল দেয়ার কথা থাকলেও ডিলার শিপন সাড়ে ২৭ কেজি করে চাল দিচ্ছেন।
খাদ্য গোদাম সূত্রে জানা গেছে, ডিলার শিপনকে ৬৭২ জন সুবিধাভোগীদের বিপরিতে ৩০ কেজি সিলাই করা বস্তা দেয়া হয়েছে।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ( ২১ নভেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, ভিন্ন চিত্র তদারকি কর্মকর্তা মোঃ কামরুল ইসলামের উপস্থিতিতে ডিলারের লোকজন আইনকে তোয়াক্কা না করে খাদ্য গোদাম থেকে দেয়া সিলাই করা ৩০ কেজির বস্তার প্রায়গুলোর সিলাই খোলে কার্ডধারীদের ৩০ কেজি স্থলে সাড়ে ২৭ কেজি করে চাল দিচ্ছে।
স্থানীয় একাধিক কার্ডধারীরা জানায়, সিলাই করা ৩০ কেজি বস্তার সিলাই খোলে ডিজিটাল পরিমাপযন্ত্র দিয়ে মেপে ২৭ কেজি করে চাল দিচ্ছে। এ সময় সুবিধাভোগী মমতা বেগম বলেন ৪৫০ ট্যাহা দিয়া ৩০ কেজি চাউল কিনছি কম দিত ক্যারে,আর কম নিতাম ক্যারে। একজন সরকারী অফিসারের সামনে কম দিতাছে হেইলা কিছু কয় না।
ইউপি সদস্য জুয়েল মিয়া জানান, আমি বাড়িতে ছিলাম সুবিধাভোগীরা আমার বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানানোর পরে ঘটনাস্থলে এসে তার সত্যতা পাই।
এ বিষয়ে তদারাকি কর্মকর্তা পরিাবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মোঃ কামরুল ইসলাম বলেন আমি আসার আগেই তারা এ কাজটি করে। দুপুর ১টার সময় আপনি আসছেন এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি অফিসিয়ার কাজে ব্যস্থ ছিলাম।
এ বিষয়ে ডিলার মিলন মিয়া শিপনের সাথে ফোনে কথা বললে তিনি জানান, ভাত খাইলে ভাত পড়ে আট, দশটা বস্তা খুইলা গেছিন। কেউ কি আর কম নিতো চায়। আপনার সাথে পরে দেখা করবো।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান ঘটনাস্থলে যাচ্ছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফৌজিয়া নাজনীন বলেন, মাপে কম দেয়ার সত্যতা পাওয়া গেলে ডিলারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স/বি

