ঢাকারবিবার , ২৬ মার্চ ২০২৩
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

কৈজানী সেতু হলে দুই উপজেলার জনদূর্ভোগ দূর হবে

চমক নিউজ, বেনাপোল অফিস
মার্চ ২৬, ২০২৩ ৮:৩৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কৈজানী সেতু হলে দুই উপজেলার জনদূর্ভোগ দূর হবে

রাকাল বিশ্বাস, কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি- নেত্রকোনার কেন্দুয়া ও মদন উপজেললার মাঝ দিয়ে বয়ে চলা সাইডুলি নদীর একটি শাখা কৈজানী নদী। নদীটির এপাড়ে কেন্দুয়া উপজেলা ওপাড়ে মদন উপজেলা। নদীটির দুই পাড়ের বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে রয়েছে ধান-পাট, সবজি ও মরিচ চাষের উর্বর ভূমি। কয়েক বছর হলো নান্দনিক স্থানটির কেন্দুয়ার অংশে করা হয়েছে কৈজানী নদী বিধৌত “তাম্বলীপাড়া ন্যাশনাল পার্ক”।

সেখানে গিয়ে মানুষ প্রতিদিন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করেন। নদীর দুই পাড়ের কৃষি নির্ভর প্রতিবেশীদের দীর্ঘ দিনের দাবি একটি সেতুর। তাদের দাবির যুক্তি হলো, কৈজানী নদীর উপর সেতু হলে কেন্দুয়া ও মদন উপজেলার মানুষের উৎপাদিত পণ্য সরবরাহে সুবিধা হবে, জনদূর্ভোগ দূর হবে এবং সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন ভাটির হাওর অঞ্চলের মানুষ ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াতের নতুক এক দিগন্তের সৃষ্টি হবে।

এতে জনদূর্ভোগ দূর হয়ে হবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও যানবাহন চলাচলে এলাকা দুইটি কর্মমূখর। গত শনিবার (২৫ মার্চ) সরেজমিনে গেলে কথা হয় মদন উপজেলার নোওয়াগাঁও গ্রামের এসএম মিল্টন, চন্দ্রতলা গ্রামের খোকন মিয়া, মিজানুর রহমান, কবির মিয়া, সাজ্জাত মিয়া, আব্দুল গফুর মিয়া, নায়েকপুর গ্রামের জানু মিয়া, আব্দুর রউফ এবং কৈজানী গোদারা ঘাটের খেয়ানী, বাঁশরী গ্রামের আলীম মিয়া সাথে। তারা জানান কৃষিকাজসহ আমাদের দৈনন্দিন কাজে প্রতিদিন কৈজানী নদী পর হয়ে কেন্দুয়ায় আসা যাওয়া করতে হয়। এতে দূর্ভোগ পোহাতে হয় অনেক। বিশেষ করে বর্ষাকালে সমস্যা হয় বেশী। গোদারার নৌকা না পেলে নদী সাঁতরিয়ে পার হয়ে বাড়ি যেতে হয়।

তাই কৈজানী গোদারা ঘাটে একটি সেতু হলে আমাদের স্বপ্ন পূরণ হবে- কষ্ট হবে লাঘব। খেয়াঘাটের মাঝি আলীম মিয়া জানান, এ বছর তারা ৮০ হাজার টাকায় গোরাঘাটটি ডেকে নিয়েছেন। প্রতি যাত্রীর কাছ থেকে ভাড়া নিচ্ছেন ৫ টাকা করে। প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার থেকে ১২ শ টাকা রোজগার হয়। ঈদ পার্বনে কয়েক দিন ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা গোদারা ভাড়া হয় বলে তিনি এই প্রতিবেদককে জানান।

এ ব্যাপারে কেন্দুয়ার তেতুলিয়া গ্রামের আবুল কালাম নামে একজন জানান, সাবেক এমপি ইফতিকার উদ্দিন তালুকদার পিন্টু মহোদয় কৈজানী সেতুর প্রথম উদ্যোগ নেন এবং সংসদে এ দাবি তুলে ছিলেন। পরে ঢাকা থেকে ইঞ্জিনিয়ার এসে মাপ-ঝোক করে সাড়ে ৪ কোটি কাটার ইস্টিমিট দিয়ে ছিলেন। পরে আর কোন কিছু হয়নি।

কান্দিউড়া ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুব আলম বাবুল বলেন, কৈজানী সেতুর দাবি দীর্ঘ দিনের। এটি হলে দুই উপজেলারবাসীর অনেক উপকার হবে। কান্দিউড়া ইউনিযনের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, কৈজানী নদীর উপর সেতু হলে দুই উপজেলারই বিরাট উপকার হবে। এখানে একটি সেতুর জন্য দীর্ঘদিন ধরেই চেষ্টা করা হচ্ছে।

উক্ত ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তাপস ব্যানার্জী বলেন, কৈজানী সেতুর দাবির প্রেক্ষিতে বর্তমান এমপি ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি কৈজানীর তাম্বুলীপাড়া পার্ক করে দিয়েছেন। সেখানে প্রতিদিন মানুষ বেড়াতে যান। তাপস ব্যানার্জী আরও জানান, এমপি অসীম কুমার উকিলের মাধ্যমে ১০টি ব্রিজের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। তার মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে আছে কৈজানী সেতু। আশা করছি খুব তাড়াতাড়িই সেতুর দাবিটি পূরণ হবে।

স/বি