ঢাকামঙ্গলবার , ২৩ আগস্ট ২০২২
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

কেন্দুয়ায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে পিটিয়ে আহত করেছেন অফিস সহকারি থানায় মামলা দায়ের

চমক নিউজ বার্তা কক্ষ
আগস্ট ২৩, ২০২২ ৫:৪২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কেন্দুয়ায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে পিটিয়ে আহত করেছেন অফিস সহকারি থানায় মামলা দায়ের

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি : নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের মনকান্দা এমইউ আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ একেএম মহিবুল্লাহকে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে অত্র মাদ্রাসার অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার জাহাঙ্গীর আলম ভূঞা জুয়েল গংয়ের বিরুদ্ধে। আহত অধ্যক্ষকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এ ব্যাপারে সোমবার (২২ আগস্ট) রাতে অফিস সহকারি জুয়েলকে প্রধান আসামী ও ৮জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৮/১০ জনকে আসামী করে কেন্দুয়া থানায় মামলা দায়ের করেন অধ্যক্ষ একেএম মুহিববুল্লাহ। ঘটনাটি ঘটেছে মোসবার (২২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১০টার দিকে গন্ডা মডেল বাজার এলাকায়। জানা গেছে, এমইউ আলিম মাদ্রাসার অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার ও গন্ডা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ভূঞা জুয়েল এলাকার একটি হত্যা মামলার আসামী হলে তিনি পলাতক থাকেন।

এ অবস্থায় গত ২০২১ সনের জুন মাসে ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক মাদ্রাসা কর্র্তৃপক্ষ তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। এ নিয়ে মাদারাসার অধ্যক্ষের সাথে অফিস সহকারির দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। এ প্রেক্ষিতে গত রোববার (২১ আগস্ট) অফিস সহকারি জাহাঙ্গীর আলম ভূঞা জুয়েল মাদ্রাসায় গেলে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে হাতাহাতি শুরু হলে তিনি চলে আসেন।

এরই জেরে সোমবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার রোয়াইলবাড়ী আমতলা ইউনিয়নের রাজনগর গ্রামের মৃত শামছুদ্দিন আহম্মেদের ছেলে অধ্যক্ষ একেএম মুহিবুল্লাহকে উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের গাড়াদিয়া গ্রামের গোলাম মোস্তফা ভূঞার ছেলে অত্র মাদ্রাসার অফিস সহকারি জাহাঙ্গীর আলম ভূঞা জুয়েল তার লোকজন নিয়ে অধ্যক্ষকে পথ আটকিয়ে মারধর করেন বলে এলাকাবাসী জানান। অধ্যক্ষ মহিবুল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, জাহাঙ্গীর আলম ভূঞা জুয়েলের চাকরি এমপিওভূক্তি হলে মাত্র ৩ দিন তিনি মাদ্রাসায় এসেছেন।

তাকে বারবার ছুটির দরখাস্ত দেওয়াসহ মাদ্রাসায় উপস্থিত থাকার কথা বলা হলেও তিনি মাদরাসায় আসেন না। এভাবে প্রায় ২ বছর তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অনুপস্থিত থেকেই তিনি বেতন-ভাতার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। এ অবস্থায় গত ২০২১ সনের জুন মাসে তাকে বরখাস্ত করা হয় এবং গত ২০ আগস্ট ২০২২ শোকজ করা হলে তিনি শোকজের জবাব না দিয়ে উল্টো হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

অধ্যক্ষকে মারপিটের অভিযোগ অস্বিকার করে অফিস সহকারি জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল বলেন, গত ২০ আগস্ট অধ্যক্ষ আমাকে মাদ্রাসায় গিয়ে বেতন ভাতার জন্য একটি লিখিত আবেদন দিতে বলেন। আদালতে মামলা থাকায় আমি লিখিত দিতে রাজী না হওয়ায় অধ্যক্ষ ও তার লোকজন দরজা আটকে আমাকে মারপিট করে। অধ্যক্ষকে মারপিটের ঘটনায় আমি জড়িত নই। কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী হোসেন পিপিএম বলেন, অধ্যক্ষের উপর হামলার কথা শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই।

সোমবার রাতে অধ্যক্ষ একেএম মহিবুল্লাহ বাদী হয়ে জুয়েলকে প্রধান আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন। মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) সহকারি পুলিশ সুপার জুনাইদ আফ্রাদ, ওসি আলী হোসেন পিপিএম সঙ্গীয় পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে সরেজমিন তদন্ত করেন।

স/এষ্