কেন্দুয়ায় স্কুলছাত্র নয়ন হত্যার আসামীরা জামিনে এসে মামলা প্রত্যাহারে হত্যার হুমকির অভিযোগ
কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি- নেত্রকোনার কেন্দুয়ার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র নয়ন মিয়া (১২) হত্যার আসামীরা জামিনে এসে বাদীর পরিবারকে হত্যার হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নয়নের বাবা, চাচা ও দাদী। শনিবার (৭ জানুয়ারি) বিকালে কেন্দুয়া প্রেসক্লাব ভবনে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
নিহতের নয়নের পিতা রিক্সা চালক আব্দুল ওয়াদুদ, চাচা সবুজ মিয়া, দাদী জহুরা খাতুন, মাসকা ইউপি সদস্য এনামুল হকসহ আত্মীয়-স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শুনানো হয়।
লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, শিশুপুত্র নয়ন মিয়া (১২) হত্যা মামলার বাদী উপজেলা মাসকা ইউনিয়নের পানগাঁও গ্রামের রিক্সা চালক ওয়াদুদ মিয়া ওরফে অদুদের একমাত্র শিশুপুত্র পানগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র নয়ন মিয়াকে পূর্ব শত্রুতার জেরে একেই গ্রামের সবুজ মেম্বারের ছেলে মোজাহিদ গং গত ৬ নভেম্বর/২০২২ সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়।
পরদিন সকালে পাশের একটি নির্মাণাধীন বাড়ির আঙ্গিনায় নয়ন মিয়ার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ পাওয়া যায়। পরে নিহতের পিতা বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে।
এ মামলায় পুলিশ শফিকুল ওরফে আরাধন, মোজাহিদ, আবু রায়হান ও আসাদুল হককে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়। পরে মোজাহিদ, আবু রায়হান ও আসাদুল হক জামিনে বেরিয়ে এসে মামলা প্রত্যাহার করতে পরিবারের অন্য সদস্যদের হত্যার হুমকি দিচ্ছে। এতে ১৯ ডিসেম্বর/২০২২ কেন্দুয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বৃদ্ধা দাদী জহুরা খাতুন কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার দুই ছেলের মধ্যে ওয়াদুদের একটি মাত্র ছেলে সন্তান ছিল ওই নয়ন মিয়া। তাকে পূর্ববিরোধের জেরে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। আসামীরা জামিনে এসে আবারও পরিবারের লোকদের হত্যার হুমকি দিচ্ছে। আমি এর দৃষ্টান্ত মূলক বিচার চাই। এ সময় নয়নের পিতা ও চাচা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
স/বি

