ঢাকাবুধবার , ৮ জুন ২০২২
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

মনিকগঞ্জের মরিচ নিয়ে হতাশ কৃষক

চমক নিউজ বার্তা কক্ষ
জুন ৮, ২০২২ ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মনিকগঞ্জের মরিচ নিয়ে হতাশ কৃষক

শুভ মন্ডল : মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার শিমুলিয়া ইউনিয়নে মরিচের বাম্পার ফলন হলেও হতাশ কৃষক। কয়েক দিন আগেই স্থানীয় কৃষকেরা প্রতিকেজি মচির ৬০-৭০ টাকায় বিক্রয় করলেও বর্তমানে কেজিপ্রতি ২০ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে। এই বছর শিমুলিয়া ইউনিয়নে প্রাথম দিকে মরিচে ফলন তেমন ভালো ছিলো না। হঠাৎ করেই মরিচের ফলন অনেক ভাল হলেও দাম না পেয়ে কৃষকের মুখের হাসি উড়ে গেছে।

এদিকে মানিকগঞ্জে এ বছর ৬০০ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল আগাম মরিচের আবাদ করা হয়েছে। কিন্ত, কাঁচা মরিচ গাছের পাতায় কুঁকড়ানো রোগ দেখা দিয়েছে। এতে করে এ বছর ভাইরাসের কারণে কাঁচা মরিচ গাছের পাতা কুঁকড়ানো রোগে লোকসানের মুখে পড়েছেন মানিকগঞ্জের দুই শতাধিক চাষি।

মানিকগঞ্জের সদর উপজেলার জাগীর ইউনিয়নের উকিয়ারা, গড়পাড়া ইউনিয়নের রানাদিয়া, গোসাইনগর, বিশ্বনাথপুর ও বাঙ্গলা, শিবালয় উপজেলা শিমুলিয়া,বেজপাড়া, মহাদেবপুর বরংগাইল, মুশুরিয়া, হরিরামপুর উপজেলার ঝিটকা, চালা, গালা, বাল্লা, সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লি ইউনিয়নের সলাই গোবিন্দপুরসহ বিভিন্ন এলাকার মরিচক্ষেতে এ রোগ দেখা দিয়েছে।

শিবালয় উপজেলার বরংগাইল এলাকার কৃষক আলী আহম্মদ জানান, বর্ষার পর পর তিনি ৮৫ শতাংশ জমিতে আগাম কাঁচা মরিচের চাষ করেছেন।কিন্তু, ফলন আসার সঙ্গে সঙ্গে মরিচ গাছের পাতা কুঁকড়ানো দেখা দেয়।

কয়েক দিন পরে সেই গাছ মরে যায়। এতে গত ১৫ দিনের মধ্যে ২৫ শতাংশ মরিচ গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে কীটনাশক দিয়েও গাছের রোগ সারানো যায়নি। ফলে তার মতো অনেক কৃষক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সদর উপজেলার গড়াপাড়া ইউনিয়নের রানাদিয়া গ্রামের কৃষক লতিফ মিয়া জানান,এ বছর তিনি ২৫ শতাংশ জমিতে মরিচের আবাদ করেছিলেন। গত ১৫ দিনে তার মরিচক্ষেত পাতা কুঁকড়ানো রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। অগ্রহায়ণ মাসে রোপন করা এই মরিচ চৈত্র মাস পর্যন্ত তোলা যায়। মরিচের আবাদে তার খরচ হয়েছিল ১২ হাজার টাকা।

এ পর্যন্ত তিনি ৪ হাজার টাকা মরিচ বিক্রি করেছেন। এই রোগে তার পুরো ক্ষেতের মরিচ গাছ নষ্ট হয়ে গেছে। গত বছর এই ক্ষেত থেকেই ৫০ হাজার টাকা মরিচ বিক্রি করেছিলেন তিনি। এ বছর পুরো লোকসানের মধ্যে পড়েছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. হাবিবুর রহমান চৌধুরী চমক নিউজকে জানান, জেলায় এখন পর্যন্ত ৬০০ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল আগাম মরিচের আবাদ করা হয়েছে। এই মরিচ মার্চ মাস পর্যন্ত ফলন দেওয়ার কথা। কিন্তু, বীজের ত্রুটি বা ভাইরাস থাকার কারণে মরিচ গাছের পাতায় কুঁকড়ানো রোগ দেখা দেয়। প্রতি বছরই এই রোগ দেখা দেয়, তবে এবার ব্যাপকতা বেশি।

আমাদের পরামর্শ হচ্ছে আক্রান্ত গাছগুলো পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিয়ে অন্যত্র মাটিতে পুতে ফেলতে হবে। যদি অধিকাংশ গাছ আক্রান্ত হয়, তবে সব গাছ জমি থেকে উঠিয়ে নতুন করে মরিচ গাছ লাগানো উচিত। কৃষকেরা অনেক সময় পরামর্শ নিতে চান না। কৃষকদেরকে বলা হয়েছে, একই জমিতে বারবার একই ফসল আবাদ না করার জন্য। কারণ এতে ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি।

স/এষ্