বাঘারপাড়া(যশোর) প্রতিনিধি ঃ মোবাইল কোর্ট ইস্যুতে গতকাল বাঘারপাড়া সদরে বাজার ব্যবসায়িরা ধর্মঘট পালন করেছে। গতকাল বেলা ১২ টা থেকে রাত টা পর্যন্ত এ ধর্মঘট চলে। বাঘারপাড়া বাজার ব্যবসায়ি ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানাগেছে, গতকাল বেলা ১১ টার দিকে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্্েরর প্রধান ফটকের পাশের চায়ের দোকানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট শাহানাজ বেগম মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এ সময় রাসেল টি স্টোর নামে চায়ের দোকানে এক ব্যাক্তি ধুমপান করছিলেন। ধুমপানের অপরাধে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ঐ ব্যক্তিকে দুইশত টাকা জরিমানা করা করেন। এ সময় নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশে চায়ের দোকানে থাকা কিছু বিড়ি, সিগারেট পুড়িয়ে দেওয়া হয়। বিড়ি, সিগারেট পোড়ানোর ইস্যু নিয়ে ব্যবসায়িরা ১২ টার দিকে সব ধরনের দোকান বন্ধ করে দেন। এরপর বেলা ১ টার দিকে থানার ওসি মতিয়ার রহমানসহ ব্যবসায়ি নেতৃবৃন্দ নির্বাহী অফিসারের সাথে বৈঠক করেন। বৈঠকে ব্যবসায়ি নেতৃবৃন্দ মোবাইল কোর্ট ও বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা তোলেন। নির্বাহী অফিসার শাহানাজ বেগম এ সময় বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। সব ব্যবসায়িকে জানান দেওয়ার জন্য আমি আইনের সামান্য অংশ প্রয়োগ করেছি। ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য আইনে যে শাস্তির বিধান রয়েছে মানবিক কারণে তা এ ক্ষেত্রে শিথিল করা হয়েছে’। ৪০/৪৫ মিনিটের আলোচনা শেষে ব্যবসায়ি নেতৃবৃন্দ ফিরে আসেন। এরপর নেতৃবৃন্দ তাদের দোকান না খুলেই জেলা প্রশাসকের উদ্দেশ্য রওনা হন। এ বিষয়ে চৌরাস্তা বাজার ব্যবসায়ি সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদিন জানান, ‘ডিসি স্যার না থাকায় এডিসি জেনারেল স্যারের হাতে স্বারকলিপি দিয়ে এসেছি। তিনি আমাদের শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। সন্ধ্যার পর ব্যবসায়িদের নিয়ে আলোচনা শেষে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে’। তবে স্বারকলিপিতে কি লেখা আছে তা তিনি বলতে পারেননি। এ বিষয়ে জয়নাল আবেদিন বলেন ব্যস্ততার কারণে তিনি স্বারক লিপি দেখার সময় পাননি। তবে দোহাকুলা বাজার ব্যবসায়িরা সাড়ে চারটার দিকে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেন। এ রিপোর্ট লেখ্ াপর্যন্ত ব্যবসায়িদের আলোচনা সভার প্রস্তুতি চলছিল।
স/ এষ্

