ভারত থেকে ৬০০ বাস ও ৮০০ ট্রাক আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীস্থ সেতুভবনে ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ভারত থেকে দ্রুত সময়ের মধ্যে ৬০০ বাস ও ৮০০ ট্রাক আসার কথা রয়েছে। এ সংক্রান্ত যে সকল সমস্যা ছিলো তা কেটে গেছে। খুব তাড়াতাড়ি টেন্ডার আহ্বান করা হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে সাক্ষরিত থার্ড লাইন ক্রেডিটের চুক্তির আওতায় আমরা খুব শিগগির বেনাপোল-যশোর হয়ে নড়াইল-ভাটিয়াপাড়া থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত রাস্তা চার লেনে উন্নিত করণ প্রক্রিয়া শুরু করব। এছাড়াও রামগড়-খাগড়াছড়ি-বুরুলিয়া থেকে চট্টগ্রাম এবং কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে সরাইল পর্যন্ত রাস্ত চার লেনে উন্নীত করা হবে।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে দুই-দেশের মধ্যে সাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ৪.৫ বিলিন ডলার পাচ্ছে বাংলাদেশে। যার পুরোটা ব্যয় করা হবে অবকাঠামো তথা যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে।
এ প্রসঙ্গটি সামনে রেখে ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেন, বাংলাদেশের অবকাঠামো বিশেষ করে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নে ভারত কাজ করছে। পদ্মা সেতুতে রেল চলাচলের ব্যবস্থা চালু হলে ঢাকার সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ আরো সহজ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এছাড়া মঙ্গলবার ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালেয়েলিয়ার রাষ্ট্রদূত সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতে মালয়েশিয়া মেঘনা সেতুসহ কেরানীগঞ্জ থেকে হেমায়েতপুর পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে তৈরীতে বিনিয়োগ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, মালোয়েশিয়া একটা সময় পদ্মা সেতুতে বিনিয়োগ করতে চেয়েছিল। আমি নিজে গিয়ে মালোয়েশিয়ার সঙ্গে এমওইউ সাক্ষাতও করে এসেছিলাম। তারপর কি হয়েছে আপনারা জানেন। পদ্মা সেতুর কাজ এখন অনেক দূর এগিয়েছে। এখন তারা এসেছিলো আরো দুটি প্রস্তাবনা নিয়ে। আমরা তাদের প্রস্তাব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি।
স/ঐষ্

