ঢাকাশনিবার , ২২ এপ্রিল ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

হাওরের দুর্দশা নিয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করেছে : হানিফ


এপ্রিল ২২, ২০১৭ ৮:২৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

হাওড় অঞ্চল পরিদর্শন করে শুক্রবার (২১ এপ্রিল) রাজধানীর ধানমণ্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেছেন হানিফ।

তিনি বলেছেন, ‘পাহাড়ি ঢলে হাওড় অঞ্চলে বন্যা শুরুর সাথে সাথেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ হাওড় অঞ্চলের বাসিন্দা হওয়ায় তিনিও দুর্গত ওই এলাকা পরিদর্শন করেছেন। আর ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম ওই হাওড় অঞ্চলেই অবস্থান করছেন।’

এ অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্তদের নেওয়া ঋণের সুদ মওকুফ, সহজ শর্তে ঋণদান, এনজিওদের ঋণের টাকার জন্য পিড়াপিড়ি বন্ধ, পানি বিশুদ্ধ করণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা উল্লেখ করে হানিফ বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তারপরও সরকার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কিছুই করেনি- বিএনপির এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন কথা-বার্তায় বোঝা যায়, তাদের রাজনীতি এখনও মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তির মধ্যেই পরিচালিত হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভুটান সফর নিয়ে বিএনপির বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে সংবাদ সম্মেলনে মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেছেন, ‘বিএনপি মানসিক প্রতিবন্ধী এবং রাজনৈতিক বিকারগ্রস্ত রাজনৈতিক দল। এ দলের নেতারা অপ্রাসঙ্গিক কথা বলে জনগণের কাছে প্রতিবন্ধী ও বিকারগ্রস্ত হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করেছে। একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের পাশে থাকা উচিত।’

আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে কিভাবে অংশগ্রহণ করানো যায় তা সরকারকে ভেবে দেখা উচিত, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন মন্তব্যের জবাবে হানিফ বলেছেন, ‘বিএনপি সত্যিকারভাবেই গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করলে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধেই আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে। আর রাজনৈতিক দল হিসেবে তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে কি করবে না, তা তাদের নিজস্ব ব্যাপার।’

এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুস সবুর, কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য এস এম কামাল হোসেন, গোলাম রব্বানী চিনু ও মারুফা আক্তার পপি উপস্থিত ছিলেন