স্লুইশ গেটে তুলতে গিয়ে পানিতে পড়া গাংনীর নিখোঁজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার
এস এম মেহেরাব হোসেন,মেহেরপুর:টানা প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘন্টা রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষার পর উৎস হোসেনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরিরা রশিকপুর স্লুইচ গেট সংলগ্ন ভৈরব নদ থেকে উৎসর লাশ উদ্ধার করেন।
ডুবুরি টিমের লিডার শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ডুবুরি নবীরউদ্দিন, আহমেদ আলী ও রাব্বি শেখ প্রায় ১০ মিনিট যাবত পানিতে খোঁজাখুঁজির পর উৎসর মরদেহ উদ্ধার করে ডাঙায় নিয়ে আসেন।এসময় ভৈরব নদের দুপাড়ে হাজার হাজার মানুষ অপেক্ষা করছিলেন।
এর আগে মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলা রশিকপুর গ্রাম সংলগ্ন ভৈরব নদের রশিকপুর স্লুইশ গেটের একটি প্লারে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতে গিয়ে পানিতে পড়ে যায় উৎস হোসেন (১৮)।উৎসব হোসেন গাংনী উপজেলা শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকার ফজলুল হকের ছেলে।
মেহেরপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান আলী জানান স্কুল ছাত্র উৎস ও বন্ধুরা মিলে রশিকপুর গ্রামের পাশে ভৈরব নদের স্লইচ গেটে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতে গিয়ে অসাবধানবশত পা ফসকে নদের পানিতে পড়ে নিখােঁজ হয়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একাধিক টিম ভৈরব নদের পানিতে প্রায়ই ২ ঘণ্টা যাবত তল্লাসি চালিয়ে স্কুল ছাত্র উৎসবকে খুঁজে পেতে ব্যর্থ হওয়ার পর খবর দেওয়া হয় ডুবুরি দল কে।খুলনা থেকে ডুবুরিদল সন্ধ্যার পর অভিযান শুরু করেন।
অভিযানের মাত্র ১০ মিনিটের মাথায় উৎসবের মরদেহ উদ্ধার করেন। এসময় ভৈরব নদীর দুই পাশে হাজার হাজার মানুষ রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষা করছিলেন।এর আগে উৎসব ভৈরব নদী পড়ে যাবার খবর প্রচারিত হওয়ার পর থেকেই রশিকপুর, বাগোয়ান, বল্লভপুর সহ বিভিন্ন গ্রামের হাজার হাজার মানুষ ভৈরব নদীর দু’পাশে এসে জমা হন।
একইসাথে উৎসর মা বাবা সহ পরিবারের সদস্যরা সেখানে সমবেত হযে আহাজারি করতে শুরু করেন।
পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপু সরোয়ারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত হন।
স/অ

