ঢাকারবিবার , ২ এপ্রিল ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

শিক্ষক নিয়োগে আর্থিক লেনদেনের কথপোকথন ফাঁস ॥


এপ্রিল ২, ২০১৭ ১২:১৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ইবি সংবাদদাতা-
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষক মোঃ রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগে আর্থিক দেনদরবারের অডিও রেকর্ড পাওয়া গেছে। কল রেকর্ডে তিনি নিয়োগের ক্ষেত্রে মোটা অংকের অর্থ দাবি করেছেন। ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ। কমিটিকে আগামী ৭ কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন পেশ করতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত ওই শিক্ষককে প্রশাসনিক ও বিভাগীয় একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

জানা যায়,ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি গত ২০১৫ সালের ২০ অক্টোবর প্রকাশিত হয়। ওই সময় বিভাগীয় সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন মোঃ রুহুল আমিন। বর্তমানে সহকারী প্রক্টরের দায়িত্বরত। সেসময় তিনি মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগ দিবেন বলে প্রার্থী খোজ করার জন্য তার এক বন্ধুর সাথে ফোনালাপ করেন। ফোনালাপে তিনি শিক্ষা ক্যাটাগারির চারটি সনদে ফার্স্ট ক্লাস প্রাপ্তদের ১২ লাখ ও তিনটিতে ফার্স্ট ক্লাস প্রাপ্তদের থেকে ১৫ লাখ টাকার বিনিময়ে চাকরি দিবেন বলে জানিয়ে দেন। যারা টাকা দিবে না তারা চাকরী পাবে না বলেও তিনি জানিয়ে দেন।

পরে বিভাগীয় শিক্ষক আসাদুজ্জামানের সরবরাহকৃত ফোনালাপের সিডি ও বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক বার্তায় জানানো হয়েছে। রোববার অনুষ্ঠিত জরুরী সভায় ভিসি এ কমিটি গঠন করেন। কমিটিতে ইসলামের ইতিহাস ও সাংস্কৃতি বিভাগের প্রফেসর ড. রুহুল কুদ্দুস মোঃ সালেহ আহ্বায়ক ও ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিংরিং বিভাগের প্রফেসর ড. তপন কুমার জোদ্দার এবং ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ সাইফুল ইসলামকে সদস্য করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ৭ কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন পেশ করতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত ওই শিক্ষককে প্রশাসনিক ও বিভাগীয় একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা হয়েছে।
এদিকে বিভাগীয় সভাপতি মোঃ আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে আনীত বিভিন্ন আনিয়োম দূর্নীতির তদন্তে ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। পরে চলতি বছরের ৩ মার্চ অনুষ্ঠিত ২৩৩ তম সিন্ডিকেট সভায় তাকে বিভাগীয় পদ থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়। হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের প্রফেসর ড. অরবিন্দ সাহাকে পুনরাদেশ না দেওয়া ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

স/জনী