মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:
সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে মেয়েদের ছবি এডিট করে আপলোড করে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন মেয়েদের সাথে চাঁদাবাজি করে আসছে পিয়াস নামের এক প্রতারক। সুত্রে জানাযায়, প্রায় ২ বছর পূর্বে প্রতারক পিয়াস মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মিরকাদিমের ছদ্মনামীয় আলেয়াকে একটি ফেসবুক একাউন্ট খুলে দেয়। ফেসবুক খুলে দেওয়ার পর আলেয়া ফেসবুকটি চালিয়ে আসছিল। চালাতে গিয়ে আলেয়া বিভিন্ন সময়ে কিছু স্টিল ছবি ফেসবুকে আপলোড করেন। প্রায় ২ বছর পর বেশ কয়েকদিন আগে প্রতারক পিয়াস আলেয়ার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড কৌশলে পরিবর্তন করে ফেলে। পরে আলেয়া জানতে পারে তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক একাউন্টি অন্য কেউ চালাচ্ছে। আলেয়া অভিযোগ করে বলেন,গত- কয়েকদিন ধরে আমার ব্যবহৃত ফেসবুক একাউন্ট থেকে আমার ছবির গলা কেটে অন্য মেয়ের ছবির সাথে মিলিয়ে ফেসবুকে আপ করা হয়েছে। এর কয়েকদিন পর পিয়াস নামের যুবক তার ব্যবহৃত ০১৯৯৭৬৫৬২৫৬ মোবাইল নাম্বারে আমাকে ফোন করে খারাপ প্রস্তাব প্রদান করেন। আমাকে হুমকি দিয়ে বলে ২০ হাজার টাকা আপাতত দাও। টাকা না দিলে আরো খারাপ ছবি বানিয়ে ফেসবুকে ছাড়া হবে। সর্বশেষ ৩১ মার্চ আমার মোবাইলে বার বার ফোন করে বলে কত টাকা জোগাড় হয়েছে বিকাশে পাঠিয়ে দাও। এর পর সারাদিন আমাকে ফোন করে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে। আমি বাধ্য হয়ে ৩১ মার্চ শুক্রবার মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় গিয়ে ওসি সাহেবকে দিয়ে ফোন করাই। এর পর ২-৩ ঘন্টা আমাকে কোন ডিস্টাব করেনি। সন্ধ্যা হওয়ার পর আবারও আমার একটা ছবিতে অন্য মেয়ের বডি লাগিয়ে ফেসবুকে আপ করে। পিয়াস ফেসবুকে অশ্লিল ছবি আপ করে আমার মান স¤œান শেষ করে দিয়েছে। অপরাধ না করেও আমি অপরাধী হয়ে গেলাম এতে করে আমি সমাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। মানসিকভাবেও আমি ভেঙ্গে পরেছি। আমি এই প্রতারকের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করছি। প্রতারক যুবক পিয়াসের বাড়ী নারায়নগঞ্জ জেলার বন্দর থানার সোনাকান্দা পানির ট্যাংকির পাশে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে জানা গেছে।
স/জনী

