সাঈদ ইবনে হনিফ।। যশোরের বাঘারপাড়ায় দীর্ঘ বছর ধরে নিজ স্ত্রীর দ্বারা বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার, নির্যাতন ও মানষিক হয়রানীর শিকার হয়ে আসছে মিলন হোসেন (৩৬) নামের এক স্বামী।
সে উপজেলার বাগডাঙ্গা গ্রামের শহিদুল মোল্যার পুত্র। ভুক্তভোগী মিলন হোসেন জানান বিগত ২০০২ সালের দিকে পার্শ্ববর্তী সদর উপজেলার মৃত জিতে খার কন্যা ঝর্ণা খাতুনের সাথে ৯ হাজার ১ টাকা কাবিনে বিবাহ হয়। বিবাহের কয়েক মাস পর থেকে ঝর্ণা খাতুন বেপরোয়া চলাফেলা ও অশোভন আচারণ শুরু করে।
এভাবে কয়েক বছর পর তার আচার ব্যবহার ও বেপরোয়া চলাফেরা আরো বৃদ্ধি পায়। মাঝে মধ্যে বাড়ি ছেড়ে সে হারিয়ে যেতো। অনেক খোঁজাখুজি করে ১৫ দিন এক মাস পর সমাজপতিদের মাধ্যমে বাড়িতে এনে তাকে বুঝানো হতো সংসারে স্থীর হওয়ার জন্য। কিন্তু স্ত্রী ঝর্ণা খাতুন কোন কিছু বুঝতে নারাজ।
কিছু দিন যেতে না যেতেই সে আবারও কোথাও হারিয়ে যেতো। তার স্ত্রীর এসব কর্মকান্ড সম্পর্কে এলাকার সমাজ পতিরা ভালভাবে অবগত আছেন বলে মিলন হোসেন জানান। এর মধ্যে তাদের সংসারে রফিকুল ও ঐশি নামে দুইটি সন্তানের জন্ম হয়। সন্তানদের কথা চিন্তা করে স্বামী মিলন হোসেন স্ত্রীর শত দোষ মেনে নিতেন।
সর্বশেষ গত কয়েক বছর আগে স্ত্রী ঝর্ণা খাতুন সন্তানদের ফেলে আবারও পালিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। এক পর্যায়ে মিলন হোসেন দ্বিতীয় বিবাহ করে সংসার জীবন শুরু করে।
সম্প্রতি স্ত্রী ঝর্ণা খাতুন দীর্ঘদিন পর ফিরে এসে স্বামীর সংসারে উঠতে চাইলে এলাকার কেউই তাকে সমার্থন করেননি। যেকারণে ঝর্ণা খাতুন গত ০৩/০৭/২০১৯ইং তারিখে মিলন হোসেনের বিরুদ্ধে স্থানীয় বাসুয়াড়ি ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ করে। ঘটনার বিবরণ শুনে ইউনিয়ন পরিষদ ঝর্ণা খাতুনের পক্ষে কোন সমাধান না দেয়ায় গত ০১/০৯/২০১৯ই তারিখে দীর্ঘ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেড আদালত যশোরে নারী ও যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় স্বামী মিলন হোসেন বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে স্ত্রী ঝর্ণা খাতুন।
যার নম্বর সিআর ২২৮/১৯। এ বিষয়ে মিলন হোসেন বলেন মামলা যাইহোক ঝর্ণা খাতুন আমাকে যে হয়রানী ও নির্যাতন এবং ক্ষতিগ্রস্থ করেছে আমি তার ন্যায় বিচার চাই।
স/এষ্

