মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের বহি: বিভাগের চিকিৎসক নাক, কান, গলা বিভাগের চিকিৎসক শেখ মো: মুনির উদ্দীনের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় হাসপাতালের চিকিৎসক ও বিএম এর আয়োজনে হাসপাতাল প্রাঙ্গনে বুধবার সকালে ঘন্টা ব্যাপী মানব বন্ধন রচিত হয়। এতে করে হাসপাতালে আসা রোগী সাধারন পড়েছেন বিপাকে। দীর্ঘক্ষন চিকিৎসকরা কর্ম বিরতিতে থাকায় চিকিৎসাসেবা পায়নি হাসপাতালের বহি: বিভাগ ও অন্ত:বিভাগের রোগীরা। অনেক রোগী বাধ্য হয়ে প্রাইভেট ক্লিনিক ও বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন একাধিক রোগীর স্বজনরা। হাসপাতাল ও প্রত্যাক্ষদর্শীদের দেওয়া তথ্যমতে জানাযায়, রাকিব (২২) নামের এক যুবক তার মাকে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের বহি: বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট নাক , কান গলা শেখ মো: মুনির উদ্দীনের চেম্বারে নিয়ে আসেন। এ সময় রোগীকে অবহেলা ও ডাক্তারের দূর্ব্যবহারের অযুহাত দেখিয়ে রোগীর স্বজনরা ক্ষিপ্ত হয়ে চিকিৎসকের উপর হামলা করে চড়, থাপ্পর ও কিলঘুষি মারিয়া আহত করেন। এ ঘটনায় যুবক রাকিবকে প্রধান আসামী করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলায় হামলার সাথে জড়িত সন্দেহে রাবিকের অন্যতম সহযোগী মিথুন (২৫) নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশ। এই ঘটনার প্রতিবাদে হাসপাতালের চিকিৎসক ও বিএম এর মুন্সীগঞ্জ শাখা বুধবার ঘন্টাব্যাপী মানব বন্ধন করেন।এতে করে বিপাকে পড়েছে হাসপাতালে আসা সাধারন রোগী এবং রোগীর স্বজনরা।
আহত চিকিৎসক শেখ মো: মুনির উদ্দীন জানান, সকাল ৯ টায় এক মহিলা রোগী এসে বলে মাঝে মধ্যে তার নাক দিয়ে রক্ত পড়ে। তাকে দেখার পড়ে দেখলাম তার নাকে কোন সমস্যা নেই। প্রেসারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় তার নাক দিয়ে রক্ত পড়ছে। আমি তাকে বুঝিয়ে বললাম আপনি কার্ডিওলজিস্ট এর কাছে যান। আমি তাকে কার্ডিওলজিস্টের কাছে পাঠিয়ে দেই। সেখানে রোগী দেখা করে ঔষধগুলো ঠিকমত নিয়ে যায়। ২-৩ ঘন্টা পর হঠাৎ কয়েকজন যুবক এসে আমাকে টেনে হিঁছড়ে কিল, ঘুষি মেরে আহত করে। আমি বুঝতেই পারলাম না কি হয়েছে। আর কি কারনে আমাকে মারধর করা হচ্ছে। পড়ে নিচে নেমে দেখলাম সকালে যে রোগীটাকে দেখেছি তার ছেলেই আমাকে মারধর করেছে।
s/jony

