ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৮ আগস্ট ২০১৯
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

পাইকগাছায় উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র চলছে ফার্মাসিস্ট ও পিয়ন দিয়ে

nayem ahmed
আগস্ট ৮, ২০১৯ ৩:২৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ভোগান্তিতে হতদরিদ্র মানুষ

ইমদাদুল হক, পাইকগাছা,খুলনা।খুলনার পাইকগাছায় ১০টি ইউনিয়নে ৬টি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে বছরের পর বছর মেডিকেল অফিসার না থাকায় চিকিৎসা সেবার কাজ চলছে উপ-সহকারী, ফার্মাসিস্ট ও পিয়ন দিয়ে।

ফলে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত এলাকার হতদরিদ্র মানুষ।

জানা যায়, পাইকগাছা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টি ইউনিয়নে ৬টি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র।

স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো হলো, গদাইপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র, যা পাইকগাছা পৌর সদরে অবস্থিত। এছাড়া রাড়ুলী ইউনিয়নের বাঁকা বাজার ও কাটিপাড়া বাজার উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র, কপিলমুনির আগড়ঘাটা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র, গড়ইখালী উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, প্রতিটি কেন্দ্রে একজন মেডিকেল অফিসার, একজন উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার, একজন ফার্মাসিস্ট ও একজন পিয়ন (এমএলএসএস) থাকার কথা থাকলেও এগুলো চলছে উপ-সহকারী, ফার্মাসিস্ট ও পিয়ন দিয়ে।

এর মধ্যে গদাইপুর, আগড়ঘাটা ও গড়ইখালী উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র চলছে, একজন করে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার দিয়ে।

রাড়ুলী ইউনিয়নের বাঁকা বাজার ও কাটিপাড়া বাজার কেন্দ্র চলছে একজন করে ফার্মাসিস্ট দিয়ে। এরমধ্যে বাঁকার ফার্মাসিস্ট থাকেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং চাঁদখালী উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র চলছে একজন পিয়ন দিয়ে।

প্রতিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে একজন মেডিকেল অফিসার সহ ৫জন কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র একজন করে কর্মচারী।

এক্ষেত্রে ৬টি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ৬জন কর্মচারী চিকিৎসা সেবার দায়িত্ব পালন করছেন। ডাক্তারসহ জনবল সংকটের কারণে এলাকাবাসী স্ব-স্ব এলাকায় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে সরেজমিনে এমনটি দেখা যায়।

ফার্মাসিস্ট ও পিয়নরা ডাক্তারের ভূমিকায় থাকায় অপচিকিৎসার ভয়ে এলাকাবাসীর অত্র সেবা কেন্দ্র থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে।

এদিকে, অবকাঠামো দিক দিয়ে পাকা ও আধুনিকায়ন হলেও কেন্দ্রের চারিপাশ নোংরা ও স্যাঁতসাঁতে অবস্থা বিরাজ করে। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত মেডিকেল অফিসার সুজন কুমার সরকার বলেন, জনবল সংকটের কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

 

স/এন