আদম সুরত
—রাসেল হোসেন মিঠু
মহা জগত, মহা কালে,
“মানুষ” মহা জগতিক বিশ্ময় ।
অবিনশ্বর জগতের নিঃশব্দময় মহা নিরবতা ।
অনাদিকালের ইচ্ছায় দ্ব্যর্থহীন প্রলাপ বলে মানুষ আজো,
অনড় প্রকৃতি সাক্ষ্য দিলেও –
দৃষ্টি গোচরে আসেনি সে সব যুগের ক্ষত ।
অবচেতনে সুন্দর তাঁর স্ব-মহিমা ঘোষণা করে ।
ক্রমশ বুভুক্ষ মানুষের লাইন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতম হচ্ছে।
দৃষ্টি নন্দন বিশ্বাস অ-গ্রন্থিত থেকেছে হিমালয় পর্বত চূড়ায় ।
মগ্নতায় নিঃসঙ্গ আবাদ, বর্ণবাদ, বিবেদ,
মগজের লুণ্ঠন অন্ধকার আরও গাড় হয়,
ঘনীভূত চীৎকারে মানবতা কাঁদে-
অলৌকিক মহিমায় প্রস্তর যুগ ইতিহাস টানেনি ।
সভ্যতা; মানব সভ্যতা গাঁথুনি গেড়েছে-
মধ্যযুগে ঘ্রাণে অ-ঘ্রানে, কুকুরও খুজে পায় না।
কিছু জলজ পাথুরে সুবাস খোঁজে ক্রুশবিদ্ধ বিপ্লবী যুবক।
নীলাকাশ কি শান্ত নির্মল ?
দুঃখের বিলাপ সুখ খোঁজে না,
বেঁচে থাকে সঙ্গোপনে যেন অবিনশ্বর জগতের নিঃশব্দ নীরবতা ।
পানশালা থেকে এখনো উঠে আসেনি-
দৃশ্যমান ভালবাসা ফুল।
দীর্ঘ সুবাস ছড়ায় না বেলা শেষে প্রজাপতির ডানায় স্বর্গরেনু নেই,
নেই ভালবাসা পাপ পুণ্যের পরশায় দীর্ঘ বিরতি নেই ।
নীল প্রজাতির সাপ বিষ ছড়ায় মনস্থ নীলকণ্ঠে মেঘের সাগর।
দীর্ঘ দুঃখের ঘুড্ডি উড়ায় নাটাই ছাড়া মগজের লুণ্ঠন।
দীর্ঘ করছে মনুষত্বের পরাজয়।
কবি কি ভাসায় কথা বলবে ?
কলম ভারী পদযুগলে স্তদ্ধ নিঃশ্বাস ফেলে নিঃশব্দ নীরবতা –
মহাকালে মহাকাল, মহা জগত, মানুষ মহা জাগতিক বিস্ময় ।।
স/এষ্

