স্নান ঘর =১
ইব্রাহিম খলিল
ক্ষুধার কাছে দাসত্ব স্বীকার করবোনা বলেইতো
আমি পথে নেমেছিলাম গতর খাটাতে,
অথচ সবাই আমার গতরের ভাঁজে ভাঁজে
মৃগনাভীর সুগন্ধি খুঁজতে যায়,
তারা চায় আমি গতর না খাটিয়ে গতর বেঁচি।
আমার ধুলোমাখা গা,বেয়ে পরা ঘামের ফোটায়
ওদের কামুক চোঁখ পিপিলিকার মতো
হেটে বেড়ায় আমার পুরো শরীরের খাঁজে খাঁজে,
আমি রাস্তায় হাটি জীবনের সাথে লড়বো বলে।
অথচ রাস্তায় দাড়িয়ে থাকা,
শত বৎসরের ল্যাম্প পোষ্ট ও আমায় ইশারা করে
ভেংচি কেটে বলে তুমি নারী ফিরে যাও ঘরে।
ইট কাঠ পাথর গুলো
কেমন লোলুপ দৃষ্টিতে তাকায় আমার দিকে,
“তবুও”
আমি আপন মনে খুঁজে যাই নীজের ঠিকানা।
দেখেও না দেখার ভান করা,
শিখে গেছি সেই যে কবেই
আর তাইতো ওসব আর গায়ে মাখিনা
পায়ে দলে যাই আপন মনে
ধুলোবালি আর কাঁদামাটির মতোই।
এখন আর আগের মতোন,
বুকের ভেতর রক্তক্ষরণ হয়না।
“তার কারণ ”
আমি জেনে গেছি আমি নারী।
আমার চারিদিকে যারা ওৎ পেতে থাকে
নারী মাংসের লোভে তাদের পূরুষ বলে কে?
চৈত্রের প্রখরতায় সস্তার প্রসাধনী
লেপ্টে পড়া দেখে যাদের জিভে জল আসে
তাদের পূরুষ বলে কে?
আমি তো বলিনা,ভিষণ লজ্জা হয় আমার,
ওদের পূরুষ ভাবতে।
“আর তাইতো”
আমি আমার মতোই হাটি পথে ঘাটে রাস্তায়
নারীতে পূরুষে ভুলে যাই তফাৎ।
তাইতো বেলা শেষে আমায়
বড্ড বেশী ডাকাডাকি করে স্নান ঘর
“কারণ”
কামুক চোখের হেটে বেড়ানো ময়লা গুলো করে নিতে সাফ,সদ্য ভূমিষ্ট নবজাতকের মতোই।
স/মা

