ঢাকাসোমবার , ১০ জানুয়ারি ২০২২
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

সিলেটের গোয়াইনঘাটে তীব্র শীতে গরম কাপড়র চাহিদা

চমক নিউজ মফস্বল বিভাগ
জানুয়ারি ১০, ২০২২ ৪:২৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সিলেটের গোয়াইনঘাটে তীব্র শীতে গরম কাপড়র চাহিদা

শাহ আলম,গোয়াইনঘাট(সিলেট)প্রতিনিধি : গত কয়কদিনের তীব্র শীতে কাবু হয়ে পড়েছে সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার জনজীবন। রাতের কুয়াশা আর ঝেকে বসা শীত যেন নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। শীতে সব চাইতে বেশি ভোগছেন নিম্ম ও অসহায় মানুষগুলো। তীব্র শীত থেকে রক্ষা পেতে ছুটছেন তারা গরম কাপড়র খোঁজে। ফলে এবারের শীতে গরম কাপড়র চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে দামও তুলনামূলকভাবে বেড়েছে বলে অভিযাগ ক্রেতাদের। তবে, ব্যবসায়ীরা বলছেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার শীতের চাহিদা অনেক কম। অন্যান্য বারের চাইতে এবার বেচাকেনাও খুব কম।

গতকাল সোমবার দুপুরে উপজলার বিভিন্ন বাজারগুলো ঘুরে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সাথে আলাপ করে এসব তথ্য জানা গেছে। তবে বড় মার্কেট থেকে ফুটপাতের দাকানগুলোতে ক্রেতাদের ভীড় ছিলো লক্ষনীয়। তীর্ব এই শীত হতে দারিদ্র মানুষর মাঝে যেন বিপর্যয় শুরু হয়েছে। হার কাপানো শীত সন্ধ্যার পর থেকেই মানুষজনও ঘর থেকে বের হতে অস্বস্থি বোধ করছেন।

শীতের প্রকোপ বাড়ায় অন্যান্যবারের চাইতে লেপ, কম্বল, সুইটার, জ্যাকেট ও চাদরের দাম চড়াওভাবে বেড়েছে। জ্যাকেট, শাল, মাফলার, টুপি ও হাত-পা মোজা ক্রয়ের চাহিদাও বেড়েছে দ্বিগুণ। সব মিলিয় উপজেলার ফুটপাত থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিপণী বিতানগুলোতে এখন গরম কাপড়ের ব্যস্ততা। উপজলার বিত্তবানরা বড় বড় দাকানগুলোতে ভীড় করলেও ফুটপাতগুলোতে ছিলো খেটে খাওয়া শ্রমিকদের দখলে।

ফুটপাত থেকে জ্যাকেট ক্রয় করছিলে সামাদ মিয়া। তিনি বলেন, বড় বড় মার্কেটে শীতের কাপড় ক্রয় করার সামর্থ নেই। তাই এখান থেকেই অল্প টাকার মধ্যেই শীতের কাপড় কিনতে এলাম। দাম কম হলেও কাপড়গুলো অনক ভালো। বিপণী বিতানে সুইটার কিনত আসা ছমির মিয়া বলেন, অন্যান্য বারের চেয়ে এবার শীত কিছুটা কম লাগছে। তারপরও রাতে বাসা থেকে বের হলে শীত লাগে। দোকানগুলোতে কাপড়ের দাম হলেও শীতের ভয়ে ভালো কাপড় কিনতে হচ্ছে। এক সুইটার কিনছি ১৫০০ টাকা দামে।

ভাই ভাই ফ্যাশনের পরিচালক রবিউল ইসলাম বলেন, অন্যান্যবারের চেয়ে এবার একটু শীত বশি। আমাদের দোকানে স্বল্প টাকার মধ্যে ক্রেতারা তাদের চাহিদামত কাপড় ক্রয় করছেন। এখানে ছেলেদের জন্য সুইটার, জ্যাকেট, ব্লেজার পাওয়া যায় ৫০০টাকা থেকে ২০০০ টাকার মধ্যে। মাফলার, শাল, টুপি পাওয়া যাচ্ছে ২০০-৩০০ টাকার মধ্যে। একই সাথে মেয়েদের জন্য জাম্পার, লং জ্যাকেটসহ বিভিন্ন কাপড় ৩০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকার মধ্যে স্বল্প মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে।

ফুটপাতে বিভিন্ন শীতের কাপড় বিক্রতারা জানান, আমরা স্বল্প টাকার মধ্যেই ভালো ও উন্নতমানের কাপড় বিক্রি করে আসছি। নিম্ম শ্রেণির মানুষদের জন্য তাদের সাধ্যমতো এখানে শীতের কাপড় বিক্রি হয়ে থাকে।

ঋতু ফ্যাশনের পোপ্রাইটর আনোয়ার হোসেন বলেন, এবার শীত কিছুটা কম। মানুষের অর্থনৈতিক সংকট থাকার কারণে বেচাকেনাও অনেকটা কমে গেছে। আগে প্রতি সপ্তাহে দোকানে শীতের কাপড় তোলা হতো। এবার অন্যান্য বছরের তুলনায় কম। তাই বেচাকেনাও কমে গেছে। তবে, আশা করছি শীত কিছুটা বাড়লে বেচাকেনা আরও বাড়তে পারে।

সোহা মনিপুরী হস্থশিল্পের প্রোপাইটর জালাল মিয়া বলেন, এবার শীতে পর্যটকরা এসে শাল ও চাদর কিনে যাচ্ছেন। অন্যান্য বছর ভালোই বিক্রি হতো। তুলনামুলকভাবে এবার কিছুটা কম।

স/এষ্