ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৫ জানুয়ারি ২০২৩
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

শীতে আগুনের তাপ নিয়ে গিয়ে রামেক হাসপাতালে বাড়ছে পোড়া রোগীদের ভীড়

বার্তা বিভাগ
জানুয়ারি ৫, ২০২৩ ৫:১৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শীতে আগুনের তাপ নিয়ে গিয়ে রামেক হাসপাতালে বাড়ছে পোড়া রোগীদের ভীড়

মঈন উদ্দীন: রাজশাহীতে শীত বাড়ার সঙ্গে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দিন দিন বেড়েই চলেছে আগুনে দগ্ধ রোগীর সংখ্যা। আগুনে পুড়ে গত দুই মাসে প্রায় ২৫০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে।

সচেতনতার অভাবে রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বর্তমানে হাসপাতালটিতে ২৪ বেড রয়েছে। চিকিৎসা নিচ্ছেন ৪০ জন রোগী। তাদের চিকিৎসা দিতে ২ জন সিনিয়র স্পেশালিস্ট চিকিৎসক ও ৩ জন জুনিয়র চিকিৎসক রয়েছেন। যা আগুনে দগ্ধ রোগীর তুলনায় অতি নগন্য।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত বছরের (২০২২) নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে আগুনে দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২২১ জন। এরমধ্যে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৫ জনের মধ্যে ২টি শিশু এবং বয়স্ক ৩ জন রয়েছেন।

সুস্থ আছেন ২১৬ জন। তাঁদের মধ্যে এখনো কেউ কেউ পোড়ার ক্ষত নিয়ে যন্ত্রণায় দিন কাটাচ্ছেন। হাসপাতালে আসা এসব রোগীরা বিভাগের বিভিন্ন জেলার জেলা।

সার্বিক বিষয়ে রামেক হাসপাতালের হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক মোছা. আফরোজা নাজনিন চমক নিউজকে বলেন, সচেতনতার অভাবে হাসপাতালে দিনদিন আগুনে পোড়া রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

এখন শীত বাড়ছে, রোগীর সংখ্যাও বাড়তে শুরু করেছে। এর কারণ হলো, অনেকেই আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হচ্ছে। আবার কেউ পানি গরম করতে গিয়ে দগ্ধ হচ্ছে।

কেউ রান্নার কাজ করতে গিয়ে আগুনের তাপ টের না পেয়েও হঠাৎ দগ্ধ হচ্ছে। এভাবে শীতের মধ্যে প্রতি বছরের মতো এবারও রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। শীত যত বাড়ে আগুনে পোড়া রোগীর সংখ্যাও বাড়তে থাকে-যোগ করেন ওই চিকিৎসক।

তিনি আরও বলেন, ‘দগ্ধের পর রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা তো দুরের কথা উল্টো বিভিন্ন কুসংস্কারের প্রভাবে ভুল চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পোড়া স্থানে তেল, হলুদের গুড়া, টুথপেস্ট, ডিম, মরিচসহ বিভিন্ন ধরনের বস্তু লাগানো রোগীও পেয়েছি অনেক।’

সহযোগী অধ্যাপক মোছা. আফরোজা নাজনিন বলেন, সমপ্রতি রুয়েটের এক ছাত্রীর প্রদীপের আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন। আমাদের অ্যাকাডেমিক বইগুলোতে আগুনে দগ্ধ ব্যক্তির প্রাথমিক চিকিৎসা ও করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা থাকা উচিত।

সচেতনতা শিক্ষিত-অশিক্ষিত সব ধরনের লোকের প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী রামেক হাসপাতালসহ ৫টি সরকারি হাসপাতালে ১০০টি বেডের পূর্ণাঙ্গ বার্ন ইউনিট চালুর প্রকল্প হাতে নিয়েছে। খুব দ্রুত আমাদের হাসপাতালের এই ইউনিটে ১০০ টি বেড সংযুক্ত করা হবে। তবে বেডসংখ্যা বাড়ানোর থেকে সচেতনতা বাড়ানো বেশি জরুরি তিনি মনে করেন।

স/র