।কনক।
রোজালিন, তুমি যাচ্ছিলে…
পাথুরে জানলার শার্শি ফুঁড়ে দেখছি,
দ্বাদশীর চাঁদ ডুবে গেলে,
হেমলক ছুঁয়েছে তোমার মদ্যপ কফিন!
চাঁদ, আহা! আমার করুণ চাঁদ!
যেন তুমি পুড়ে পুড়ে উবে গ্যাছো নাক্ষত্রিক ইতিহাসে…
রাত্রিরা জাগে, প্রাচীন শকটে…
জং -ধরা অশ্বের চোখে,
মৃতবৎ কোচওয়ান!
দুলে দুলে ছুটে চলে বহুদুর…
পাহাড়ি রেখাপথ, চাতক আকাশ!
আয়নার তারারাজ্য ফেরে জল কার্নিশে…
জাগতিক ঘুমপাঠ সেরে নেয় জারজ -বাতাস!
তোমাদের তন্দ্রায় সুর তোলে ব্রাত্য ভায়োলিন …
সে আরেক অনন্ত মরীচিকা ….!
আলোর মতো ছায়াপথ কেটে কেটে
যখন সমাধির হাটে পৌঁছুলাম ;
ঠিকুজি আঁকা বোবা এপিটাফের শরীরে
মৃত্যুর পাঠশালা দেখেছি!
প্রোথিত জ্ঞান ভ্রমণের সাতকাহনে তুমি
নগ্ন পথিক, শাদায় মোড়ানো!
বৃত্তিক পাটাতনে, শ্যাওলায় বিপন্ন লোবান!
ভাবছি, তুমি ঠিকঠাক চলে গ্যাছো …।
এই নীলাভ শহরের ট্রমা,
মুমূর্ষ্য নক্ষত্রের কাছে,
প্রাক্তন কামনার কাছে,
ক্ষমা চেয়ে নিও…
অজস্র যুবতী রাতের কাছে,
মুখোমুখি বন্ধকী সেই গোধূলির কাছে,
প্রিয়তমা, তুমি ক্ষমা চেয়ে নিও…।
স/এষ্

