মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মিরকাদিমের রিকাবী দুধ বাজারে দুধপট্টি ভেজাল ও ভেজালে চক্র।
মানব দেহের পুষ্টি ও শক্তি বৃদ্ধির অন্যতম উপাদান হলো খাঁটি গরুর দুধ। শিশু থেকে নারী-পুরুষ সবারই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় থাকে গরুর দুধ।
আর রোজা আসলেই এ গরুর দুধের চাহিদা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। পাল্লা দিয়ে বাড়েও দাম। কিন্তু মিলে না ভেজাল মুক্ত দুধ।
দুধ বাজারে মনিটরিং না থাকায় রিকাবী বাজার দুধপট্টি কিছু অসাধু ব্যক্তি অধিক লাভের আশায় গরুর দুধে ভেজাল মিশিয়ে মানুষের জীবনকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
তারপর দুধে পরিমাণমত পানি, ময়দা, অ্যারারুট পাউডার ও কেমিকেল মিশিয়ে সাদা ও গাঢ় করে বাজারে এমনকি বাসা-বাড়িতে বিক্রি হচ্ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকির ভেজাল দুধ।
প্রতি লিটার দুধে ৭০০ গ্রাম করে পানি, ময়দা, অ্যারারুট পাউডার মেশানো হয়। সবমিলে পুরো দুধেই ভেজাল।
এভাবেই চলছে রিকাবী বাজার দুধপট্টি গরুর দুধের নামে এসব ভেজাল দুধের ক্রয়-বিক্রয়। রমজান মাসে সাধারণ মানুষসহ রোজাদারগণ ভেজাল মিশ্রিত দুধে সবচে বেশি প্রতারিত হচ্ছেন।
সাধারণ মানুষ চায় ভালো দুধের নিশ্চয়তা। কেজিতে ৫/১০ টাকা বাড়িয়ে হলেও খাঁটি বিশুদ্ধ তরল দুুধ চায় সবাই। কিন্তু ওইসব ঠকবাজ অসাধু দুধ বিক্রেতাদের প্রতারণা ও ভেজাল রুখবে কে?
কেবল রোজাই নয়, বছরের প্রতিদিনই মিরকাদিমের বটতলা রিকাবীবাজার দুধপট্টি সোনালী কমিটির সংলগ্ন মোড়, এলাকায় খাঁটি গরুর দুধের নামে ক্রেতাদের কাছে ভোজল দুধ বিক্রি করে আসছে পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা।
এদিকে মনিটরিং সাহায্যে দুধের ঘনত্ব নির্ণয় বা দুধ খাঁটি কিনা তার অস্তিত্ব পরীক্ষা করার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকলেও সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন না করায় ভেজাল দিন দিন আরও বাড়ছে।
মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক মনিরুজ্জামান তালুকদার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারুক আহম্মেদ, মনিটরিং সাহায্যে ভেজাল নিয়ন্ত্রণে রিকাবী দুধ বাজার গুলোতে পদক্ষেপ ব্যবস্থা নেওয়া করা হউক।
স/এষ্

