ঢাকাশুক্রবার , ২৮ আগস্ট ২০২০
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

বৃষ্টির পানিতে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ পানিতে নিমজ্জিত

nayem ahmed
আগস্ট ২৮, ২০২০ ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ইমদাদুল হক, পাইকগাছা,খুলনা ॥ খুুলনার পাইকগাছার কপোতাক্ষী মাধ্যমিক ও শাহাপড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ বর্ষার পানিতে তলিয়ে রয়েছে। পানি নিস্কাসনের ব্যবস্থা না থাকায় দুটি বিদ্যালয়ের ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীসহ এলাকা কমলমতি শিশুরা খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

কয়েকবার কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানালেও কোন ফল হয়নি। এলাকাবাসী মাঠটি ভরাট করে জলমগ্নতার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নে অবস্থিত কপোতাক্ষী মাধ্যমিক ও শাহাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠান দুটির সামনে রয়েছে ৫ বিঘা আয়তনের খেলার মাঠ। বর্ষা মৌসুমে মাঠটি পানিতে তলিয়ে থাকে। যা নিস্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বিদ্যালয় দুটির ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী ও এলাকার কমলমতি শিশুরা সকল খেলাধুলা ও বিনোদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এলাকাবাসী জানিয়েছে, দীর্ঘ ৬-৭ বছর যাবৎ এ অবস্থা সৃষ্টি হলেও কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কোন কার্যকরী ব্যবস্থা নেয়নি। বিদ্যালয় দুটির দুপার্শ্বে পাকা রাস্তা অন্য পার্শ্বে বসতি ও মৎস্য ঘের থাকায় পানি নিস্কাশনের কোন ব্যবস্থা নেই। প্রতি বছরের মতো চলতি বছরও বৃষ্টির পানিতে মাঠে হাটু পানি জমে আছে।

এ পানিতে বিদ্যালয়ের পাশের ছেলে মেয়েরা খেলাধুলা করছে। অভিভাবক আজিজুর রহমান লাল্টু বলেন, মাঠটি ভরাট করা না হলে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলার মানসিকতা হারিয়ে ফেলবে।

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি আব্দুস ছালাম খান বলেন, কয়েক বছর ধরে মাটি পানিতে তলিয়ে রয়েছে। ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, জেলা পরিষদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও স্থানীয় সংসদ সদস্য বরাবর কয়েকবার লিখিত আবেদন করলেও কোন কাজ হচ্ছে না।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সরদার রুহুল আমীন বলেন, ৬/৭ বছর ধরে বর্ষাকালে মাঠটি পানিতে তলিয়ে থাকে। স্বভাবিকভাবে শুকাতে কয়েক মাস লাগে। ফলে দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

 

স/এন