হে বসন্ত তুমি বার বার ফিরে আসো,
সবার মনে দোলা জাগাতে –
কিন্তু পারো কি সবার মনে দোলা জাগাতে?
হে বসন্ত তুমি আসলেই প্রকৃতি
যেন রঙিন হয়ে উঠে,
কিন্তু পারে কি সবার মনে রঙ ছড়াতে?
হে বসন্ত তুমি আসলেই কোকিলের
মধুর কণ্ঠে মুখরিত হয় চারপাশ-
আর আমার হৃদয়টা হাহাকার করে উঠে,
সব কিছু শূন্য মনে হয়, বড় একা লাগে ।
হে বসন্ত আমিও প্রতীক্ষায় থাকি,
সেই মধুর কণ্ঠ শোনার জন্য,
কিন্তু আমার কাছে সেই কণ্ঠ পৌঁছায় না কেন?
তাইতো আমার ভুবন কখনো মুখরিত হয় না।
হে বসন্ত তোমাকে নিয়ে কত আয়োজন,
কত না উৎসব।
কই আমাকে তো একটি বারের জন্যও ডাকনি
তোমার কোন উৎসব বা আয়োজনে।
হে বসন্ত তুমি কেন আমার প্রতি
এত নির্দয় হও?
আমারও তো মন আছে, আমিও
তোমাকে ভালবাসি-তাইতো তোমার
রঙিন ভুবনে নিজের অজান্তেই নিজেকে
হারিয়ে ফেলেছি।
তাহলে কেন আমার জীবনে মধুর বসন্ত
হয়ে এলে না।
তাই তোমাকে বিবর্ণ বসন্ত কাল বলে
অভিহিত করলাম ।
তুমি রাগ করলে আমার উপর তাই না!
তাহলে আমাকে অভিসম্পাত দাও –
যেমন করে বসন্তকাল শেষ হলে
ফুল পাতা ঝড়ে পড়ে,
তেমনি যেন আমিও ঝড়ে পড়ি
নীরবে নিভৃতে ।
কারো প্রতি অভিযোগ থাকবেনা,
তোমাকেও আর বলবনা বিবর্ণ বসন্তকাল।
স/শা

